ঢাকা, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ অাপডেট : ১০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯, ১০:০৮

প্রিন্ট

আজ বিশ্ব কিডনি দিবস

আজ বিশ্ব কিডনি দিবস
জার্নাল ডেস্ক

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব কিডনি দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ কিডনি সবার জন্য সর্বত্র’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন, ক্যাম্পাস এবং কিডনি ফাউন্ডেশন র‌্যালি, স্ক্রিনিং, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

জানা গেছে, বিশ্বে প্রায় ৮৫ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রতি বছর ২৪ লাখ মানুষ ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ লোক আকস্মিক কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। এদের মধ্যে ১৭ লাখ রোগী অকালে মৃত্যুবরণ করেন।

কিডনি সমস্যা এদেশে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পেছনে অ্যাকসেস টু ট্রিটমেন্ট বড় কারণ। কিডনি বিকলের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় এ দেশের শতকরা ১০ জনও এ রোগের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেন না। অর্থাভাবে চিকিৎসাহীন থেকে আক্রান্তদের সিংহভাগ প্রাণ হারান।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও কিডনি রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশে কিডনি রোগী প্রায় দুই কোটি। অথচ বিশেষজ্ঞ মাত্র ১৭০ জন। অর্থাৎ সবাই মিলে একসঙ্গে রোগী দেখা শুরু করলে এবং প্রতিদিন গড়ে ৭০০ জন রোগী দেখলেও ছয় মাস লেগে যাবে শেষ করতে। তিনি বলেন, গড়ে প্রতি বছর বাংলাদেশে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার রোগী এ রোগে মৃত্যুবরণ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটু সচেতন হলে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ ক্ষেত্রে কিডনি বিকল প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগের উপস্থিতি ও এর কারণ শনাক্ত করে তার চিকিৎসা করা।

সুস্থ জীবনধারা চর্চা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান না করা, পরিমিত সুষম খাবার, কাঁচা লবণ পরিহার করার মাধ্যমে কিডনি রোগ থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. মো. ফিরোজ খান বলেন, আকস্মিক কিডনি বিকল ও দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের কারণে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এইডস, ম্যালেরিয়া, টিবি, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়। এ কারণে কিডনি রোগকে বলা হয় ডিজিজ মাল্টিপায়ার।

বাংলাদেশ জার্নাল/টিপিবি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close