ঢাকা, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:২১

প্রিন্ট

পান্তা ভাত কি সাধারণ ভাতের চেয়ে পুষ্টিকর?

পান্তা ভাত কি সাধারণ ভাতের চেয়ে পুষ্টিকর?
জার্নাল ডেস্ক

নববর্ষ মানেই পান্তা ইলিশ। যদিও পহেলা বৈশাখের সাথে ইলিশের সম্পর্ক নিয়ে রয়েছে অনেক প্রশ্ন। তবে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সাথে পান্তা ভাত খাওয়ার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টির ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক ভিত্তি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এক সময়ে রাখাল ছেলেরা বা মাঠে কৃষিকাজ করা কৃষকরা সাধারণ সময়েই সকালে পান্তা ভাত খেয়ে কাজ করতে যেত। আর নববর্ষের দিনে ভাতের পানি যেটিকে আমানি বলা হতো সেটি খেয়ে কাজে যেত তারা।

আমানিতে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। তাই বহুকাল থেকেই গ্রাম বাংলার কৃষি সভ্যতার সাথে যুক্ত হয়ে আছে এটি। পান্তা ভাতের সাথে সাধারণত কাঁচা মরিচ বা পেঁয়াজ খাওয়ার প্রচলন ছিল বলে জানা যায়।

পান্তা ভাতের পুষ্টিগুণ

পুষ্টিবিদরা বলেন, পান্তা ভাত হলো শক্তিদায়ক খাবার। তবে এতে সাধারণ ভাতের চেয়ে খুব একটা বেশি পুষ্টিগুণ নেই। তবে ভাত পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় বলে এটি কিছুটা গাঁজানো হয়। এটি হজমে সুবিধা করে এবং গরমের দিনে এটি খেলে মানুষের আরামের ঘুম হয়।

এছাড়া কিছু বিশেষ পুষ্টি উপাদানের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে রান্না করা ভাতের চেয়ে পান্তা ভাত কয়েকগুণ বেশি সমৃদ্ধ থাকে বলে জানা যায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের একটি গবেষণা থেকে।

সাধারণ রান্না করা ভাতে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট আবদ্ধ অবস্থায় থাকে যা শরীর শোষণ করতে পারে না। রান্না করা ভাতকে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে সেই ভাতের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম এবং আয়রন বহুগুণ বেড়ে যায় এবং তা সহজে শরীর শোষণ করতে পারে।

এই ভাতের ক্যালসিয়াম সাড়ে তিনশো গুণ পর্যন্ত এবং আয়রন প্রায় ৬০ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে পান্তা ভাতে ব্যবহার করা পানির জীবাণুমুক্ত হওয়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।

আরএ/

সূত্র বিবিসি বাংলা

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close