ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১১:২৩

প্রিন্ট

স্মার্টফোনের স্ক্রীনে দীর্ঘসময় কাটানো কি ক্ষতিকর?

স্মার্টফোনের স্ক্রীনে দীর্ঘসময় কাটানো কি ক্ষতিকর?
জার্নাল ডেস্ক

স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ভিভাইসের স্ক্রীন বা পর্দার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয় অনেককেই। এর প্রভাব কিন্তু পড়ে আপনার স্বাস্থ্যের ওপর তা কী জানেন? একটানা দীর্ঘ সময় কোনো ডিভাইসের পর্দায় বা স্ক্রীনে সময় কাটানো যে ক্ষতিকর, এতদিন এটি ছিল গ্রহণযোগ্য মত।

কিন্তু নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে, বেশি সময় স্ক্রীনে চোখ রাখলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, এমন কোনো পরিষ্কার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট টিনএজারদের ওপর দীর্ঘসময় স্ক্রীনে কাটানোর প্রভাব নিয়ে গবেষণাটি চালায়। বিশেষ করে তরুণরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে লম্বা সময় ধরে কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করলে তার কী প্রভাব তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়ে, সেটাই তারা দেখতে চেয়েছেন।

এই গবেষণার একজন গবেষক অ্যামি ওরবেন বলেন, ঘুমানোর আগে আধা ঘণ্টা, এক ঘণ্টা বা দুই ঘণ্টা ধরে কেউ স্ক্রীনে চোখ রাখলে সেটা যে তাদের স্বাস্থ্যের ওপর কোন প্রভাব ফেলে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৭ হাজারের বেশি টিনএজারের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এই গবেষণার জন্য। অ্যামি ওরবান আরো বলেন, এই গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের সময় জরিপে অংশগ্রহণকারীরা যে তথ্য দিয়েছেন, শুধু সেটার ওপর নির্ভর করা হয়নি।

কারণ মানুষ আসলে কতটা সময় স্ক্রীনে কাটায়, সেটা তারা নিজেরাই ঠিকমত অনুমান করতে পারে না। মানুষ কতক্ষণ ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করে, সে ব্যাপারে আগের গবেষণাগুলোতে নিজেরা যে আনুমানিক তথ্য দিয়েছিল, তার সাথে তাদের ফোন ট্র্যাক করে পাওয়া তথ্যের অনেক পার্থক্য ছিল।

তবে সমালোচকরা অক্সফোর্ডর নতুন গবেষণা সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। এই গবেষণায় ব্যবহৃত কিছু তথ্য অনেক পুরনো। গত আট বছরে কিশোর-কিশোরীদের স্ক্রীনটাইম ব্যবহার অনেক বদলে গেছে।

কিশোর-কিশোরীরা অনলাইনে এমন সব জিনিস দেখছে, যা তাদেরকে ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে উদ্বেগ রয়েছে অভিভাবকদের মধ্যেও।

তবে অক্সফোর্ডের গবেষকরা জানাচ্ছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে কতটা সময় স্ক্রীনে কাটানো হচ্ছে তার সর্ম্পক আসলে খুব কম।

আরএ/

সূত্র বিবিসি বাংলা

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close