ঢাকা, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬ অাপডেট : ১২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৪

প্রিন্ট

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ
জার্নাল ডেস্ক

যত দিন যাচ্ছে, তত বাড়ছে তাপমাত্রা। বৈশাখ মাস পড়তে না পড়তেই গরমে রীতিমতো হাঁসফাঁস অবস্থা। আর গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তাই এই গরমে ঘরের বাইরে পা রাখার আগে হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো সম্পর্কে জেনে নিয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি। আসুন জেনে নেয়া যাক হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো সম্পর্কে আর সতর্ক হয়ে যান আগেই।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ

ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া হিট স্ট্রোকের একটি অন্যতম লক্ষণ।

হিট স্ট্রোকের আগে ত্বক শুষ্ক আর লালচে হয়ে ওঠে।

হিট স্ট্রোকের আগে রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যায়।

এ সময় শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে প্রস্রাবের পরিমান অনেকটাই কমে যায়।

হিট স্ট্রোকের সময় নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়ে যায়।

হিট স্ট্রোকের আগে মাথা ঝিমঝিম করা, শরীরে খিঁচুনি হতে পারে।

হিট স্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে যায়। হিট স্ট্রোকের সময় শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) বা তার চেয়ে বেশি হতে পারে।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ যা করবেন

হালকা ঢিলেঢালা পোশাক পড়ুন। হালকা রঙের পোশাক পড়ুন যাতে সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারে। খুব ছোট পোশাক না পড়াই ভাল।

হিট স্ট্রোক হলে আক্রান্তকে যত দ্রুত সম্ভব ঠাণ্ডা পরিবেশে সরিয়ে আনতে হবে। সম্ভব হলে হিট স্ট্রোকে আক্রান্তকে এয়ারকন্ডিশনার ঘরে রাখতে হবে।

যে কোনো উপায়ে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করতে হবে। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে ভেজা কাপড় দিয়ে কিছুক্ষণ জড়িয়ে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে ঘরের ফ্যান চালিয়ে রাখতে হবে।

যাদের দিনের বেশির ভাগ সময় বাইরে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হয় বা রোদে ঘোরাঘুরি করতে হয়, তাদের একটানা বেশিক্ষণ পরিশ্রমের কাজ না করাই ভাল। ছোট ছোট বিরতি নিয়ে কাজ করাই ভাল।

প্রাথমিক পর্যায়ে হিট স্ট্রোকের মোকাবিলা করার পর যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের কাছে যান। চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলুন।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close