ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ অাপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৪ মে ২০১৯, ১৪:১৩

প্রিন্ট

রমজানে সুস্থ থাকতে খাওয়ার নিয়ম

রমজানে সুস্থ থাকতে খাওয়ার নিয়ম
জার্নাল ডেস্ক

চলছে রমজান মাস। সারা পৃথিবী জুড়ে বহু মুসলমানরা এই সময় রোজা রাখেন। টানা একমাস সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিছু না খেয়ে থাকেন তারা। রোজায় কিছু নিয়মে খাওয়া-দাওয়া করা একান্ত প্রয়োজন।

রমজানের একটি প্রচলিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হলো খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা। প্রথমে দুটো খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি বা শরবত পান করুন। তারপর কুসুম গরম স্যুপ, স্যালাদ ও ইফতারে খেয়ে নিন। কুসুম গরম স্যুপ দিয়ে ইফতার শুরু করলে দীর্ঘসময় খালি থাকা পাকস্থলি আরাম পায় এবং ইফতারের প্রধান আইটেম খাওয়ার জন্য পরিপাকতন্ত্র প্রস্তুত হয়।

ইফতারের ভারসাম্যপূর্ণ প্রধান ডিশের মধ্যে ভাত, পাস্তা, আলু বা বুটের মতো কার্বোহাইড্রেটের উৎস এবং গরু, মুরগির মাংস বা মাছের মতো কিছু প্রোটিন থাকা উচিত। এছাড়া ফল তো থাকবেই।

পবিত্র রমজান মাসে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে ভুলবেন না। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।

অত্যধিক মসলাদার বা লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং বেশি করে তাজা ফল ও শাকসবজি খান।

ভারী খাবার অথবা ইফতারের প্রধান আইটেম খাওয়ার আগে অল্প মিষ্টি খাবার যেমন খেজুর ও হালকা খাবার বা স্যুপের মতো তরল জাতীয় খাবার খান। ইফতারের তালিকায় বেশি করে ফল ও শাকসবজি রাখুন।

সেহেরির খাবার তালিকায় হোল গ্রেন ব্রেড, ভাত ও হোল গ্রেন সিরিয়াল রাখুন। এই খাবার ধীরে শোষণের ফলে কার্বোহাইড্রেট রক্ত শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

নিম্ন রক্তচাপ যাদের আছে অর্থাৎ মাথাব্যথা করে অথবা মাথা ঘোরে, তাদের ইফতারে ২-৩টি খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙা উচিত। কারণ খেজুর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি করতে পারে।

ইফতারে ধীরে ধীরে স্যুপ ও স্যালাদ খেলে পেট ভরা অনুভূতি হবে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়া হবে না। রমজানের খাবারকে হালকা রাখুন। স্বাস্থ্যকর রান্না পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হোন যেমন গ্রিলিং, বয়েলিং, সিমারিং ও টোস্টিং।

ইফতারের পরপর বেশি মিষ্টি খাবার খেলে পাকস্থলির আকার বৃদ্ধি পায় এবং হজম দেরিতে হয়। এটি রক্তে শর্করার মাত্রার বৃদ্ধি করে, তাই আপনার আরো মিষ্টি খেতে মন চায়। তাই মিষ্টি খাবার খেতে চাইলে ইফতারের ২-৩ ঘণ্টা পর পরিমাণ মত খেতে পারেন।

রোজা রেখে কেবলমাত্র ইফতারের খাবারের ওপর নির্ভর করবেন না। ঘুমাতে যাওয়ার আগে অন্যান্য হালকা খাবার খেতে পারেন, যেমন দই, হোল-হুইট চিজ স্যান্ডউইচ অথবা কিছু শুষ্ক ফল ও বাদাম। সেহেরিতে এক গ্লাস কম চর্বির দুধ, হোল-হুইট ব্রেড ও অল্প ডাল খেতে ভুলবেন না।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close