ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:৪৯

প্রিন্ট

ক্যান্সার সচেতনতায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেলের মাসব্যাপী কর্মসূচি

ক্যান্সার সচেতনতায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেলের মাসব্যাপী কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক

মরণব্যাধি ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। রোববার রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ একটি রেঁস্তোরায় মিডিয়া ওরিয়েন্টেশনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। মাসব্যাপী এই কর্মসূচিটি ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর র‌্যালী, রোড শো ও স্ক্রিনিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন, ১৪ থেকে ২০ অক্টোবর বহির্বিভাগে বিনা মূল্যে ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা, ১৭ অক্টোবর সারা দেশ থেকে আমন্ত্রিত চিকিৎসকদের নিয়ে ক্যান্সার বিষয়ক ওয়ার্কশপ, ১৯ অক্টোবর কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান, ২৯ অক্টোবর গ্রামীনফোনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান এবং ৩০ অক্টোবর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের জন্য ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচির পৃষ্ঠপোষকতা করছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এবং সাংসদ ড. আনোয়ার হোসেন খান।

এর আগে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রতিষ্ঠানটির ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো: এহতেশামুল হক। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. একেএম আমিনুল হক, ক্লিনিক্যাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আমিনুল হক, সার্জারি বিভাগের ডা. মোস্তাক হোসেন তুহিন, চক্ষু বিভাগের অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা, অধ্যাপক ডা. আব্দুল আলিম, ডা. এস কে ফরিদ আহমেদ, ডা. আলি নাফিসা প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক এহতেশামুল হক বলেন, কোন অনাকঙ্খিত রোগ এবং মৃত্যু কারো কাম্য নয়। চলতি বছর ডেঙ্গু মহামারীতে প্রায় শতাধিক রোগী মারা যায় এবং এখনো পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭৭ হাজার। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে শুধুমাত্র ফুসফুস ক্যান্সারে বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৩৭৪ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৮৬১ জন। তবে সচেতনতা, কিছু উদ্যোগ এবং আর্লি ডিটেকশনের মাধ্যমে এই সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব। গণমাধ্যমকর্মীরা যদি এই বিষয়টি নজরে নিয়ে আসেন তাহলে দেশ ও জাতীর কল্যাণ বয়ে আনবে।

তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমের সহায়তা ছাড়া আমাদের এই কর্মসূচি কখনই সফল করা সম্ভব নয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমাদের এই কর্মসূচি জনগণের সামনে তুলে ধরে এবং ক্যান্সার বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত প্রচার করে আমাদের এই উদ্যোগকে সফল করতে সাহায্য ও সহায়তা কামনা করছি। লিখিত বক্তব্যের পর সংবাদকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন চিকিৎসকবৃন্দ।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত