ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৮ আশ্বিন ১৪২৭ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৮:৪৩

প্রিন্ট

ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর ফের রকেট হামলা

ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর ফের রকেট হামলা
অনলাইন ডেস্ক

ইরাকের উত্তরাঞ্চলী কিরকুক প্রদেশে সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বৃহস্পতিবার রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকের ওই ঘাঁটিতেই বিপুল পরিমাণ মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে। তবে হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মার্কিন সেনার হতাহতের খবর মেলেনি। ইরাকি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা।

ওই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে ইরাকের পৃথক তিনটি নিরাপত্তা সূত্র। তারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানায়, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে কিরকুকের কাতিউসা ঘাঁটিতে রকেট হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রচুর মার্কিন সেনার অবস্থান। হামলার পরপরই ওই এলাকায় টহল শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বিমানগুলো।

গত ২৭ ডিসেম্বরের পর কিরকুকের সামরিক ঘাঁটিতে এটিই প্রথম হামলা। এর আগে গত বছরের শেষ দিকে ওই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ৩০টির মতো রকেট হামলা চালানো হয়েছিল। ওই হামলাতেই প্রাণ হারিয়েছিলেন এক মার্কিন সামরিক ঠিকাদার। ওই হামলার জন্য ইরাকের ইরানপন্থী কাতায়েব হেজবুল্লাহকে দায়ী করে আসছে ওয়াশিংটন। যদিও ওই সামরিক গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের এই নাকচ করে দিয়েছে।

ওই হামলার পর মার্কিন বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছে কাতায়েব হেজবুল্লাহ’র অন্তত ২৫ সদস্য। এখানেই শেষ নয়, ঠিকাদারের হামলার প্রতিশোধ নিতে গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ইরানের এলিট ফোর্স রেভুলেশনারি গার্ডের প্রধান জেনারেল কাসেম ওসমানিকে হত্যা করে মার্কিন সেনারা। সোলেইমানি হত্যার জবাবে গত ৮ জানুয়ারি বাগদাদের মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক রকেট হামলা চালায় তেহরান।

এবার সোলেইমানি নিহত হওয়ার ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরপরই বৃহস্পতিবার কিরকুকে ওই রকেট হামলার ঘটনা ঘটলো। ওই জেনারেলের মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছিল ইরান।

তাৎক্ষণিকভাবে ইরাকি সেনাঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো গোষ্ঠী। তবে যুক্তরাষ্ট্রর সন্দেহের তীর বরাবরের মতো এবারও যে তেহরানের দিকেই যাবে তা নিশ্চিত। ফলে এই হামলায় দুই দেশের উত্তেজনার পারদ আরও ওপরের দিকেই ধাবিত হবে।

এদিকে, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টপাল্টি হামলার মধ্যেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে বাগদাদ। গত মাসের গোড়ার দিকে এ নিয়ে ইরাকি পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাবও গৃহীত হয়েছে। যদিও তাতে সাড়া দেয়নি একগুয়ে ট্রাম্প। উল্টো তিনি এ ধরনের প্রস্তাব গ্রহণ করায় বাগদাদের ওপর ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত