ঢাকা, রোববার, ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২০, ১৬:৫৯

প্রিন্ট

করোনা নিয়ে আতঙ্কিত নন বিশ্বের প্রবীণতম মানুষটি

করোনা নিয়ে আতঙ্কিত নন বিশ্বের প্রবীণতম মানুষটি

Evaly

অনলাইন ডেস্ক

দিব্বি মনের সুখে সিগেরেটে সুখটান দিচ্ছেন। বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস নিয়েও আতঙ্কিত নন এই বৃদ্ধ। বলছিলাম ফ্র্যাডি ব্লোমের কথা। শুক্রবার ১১৬ তম জন্মদিন পালন করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যক্তি। আর তিনি হচ্ছেন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রবীণ নাগরিক।

প্রায় একশ বছর আগে স্প্যানিশ ফ্লুতে বোনকে হারিয়েছেন ফ্র্যাডি ব্লোম। তবে এবারের করোনা মহামারিতেও শঙ্কিত নন ব্লোম। বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাতকারে ব্লোম বলেন, ‘আমি ঈশ্বরের কৃপায় দীর্ঘ জীবন পেয়েছি।’

১৯০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের অ্যাডিলেইড নামক মফস্বল শহরে জন্ম নেন ফ্র্যাডি ব্লোম। গত মার্চে ব্লোম বিশ্বের অন্যতম প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখান। জীবনের বেশিরভাগ সময় দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে কাটিয়েছেন তিনি।

১১৬ বছর বয়সে পৌঁছেও ধূমপান করতে পছন্দ করেন ফ্র্যাডি ব্লোম। আর তাই লকডাউনের সময় দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার সিগারেট বিক্রি বন্ধ করে দেয়ায় খুবই বিরক্ত ব্লোম।

এই বৃদ্ধ সম্পর্কে তার নাতি জেসমিন টোয়েরিয়েন বলেন, তিনি আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। এখনো তিনি রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেন এবং সাইকেল চালান।

গত দুই বছর ধরে কোনও ডাক্তারের কাছে যান না ব্লোম। এমনকি হালকা পাতলা অসুস্থ হলেও না। তারপরও দিব্যি সুস্থ আছেন বিশ্বের এই প্রবীণতম মানুষটি।

নিজের এই অভ্যাস সম্পর্কে গতবছর বলেছিলেন, ‘আমি নিয়মিত ধূমপান করি। আমি ডাক্তারের কাছে যাই না। আমি নিয়মিত এনো পানীয় পান করি। আর প্রতিদিন একটি করে ডিসপ্রিন ট্যাবলেট সেবন করি। সবমিলিয়ে আমি ভালো আছি।’

৫০ বছরের দাম্পত্য জীবনে কোনও ছেলেপুলের মুখ দেখেননি ফ্র্যাডি ব্লোম।এ নিয়ে তেমন কোনও দুঃখবোধও নেই তার। স্ত্রী জেনেট ব্লুমের (৮৭) আগের পক্ষের দুই সন্তান আর নাতিকে নিয়ে দিব্যি আছেন ব্লোম।

সবচেয়ে বড় কথা বয়সটা তার কাছে কেবলেই একটা সংখ্যা। এখনও নিজেকে ৪৪ বছরের যুবক বলেই মনে করেন ফ্র্যাডি ব্লোম। হয়তো এটাই তার দীর্ঘজীবন লাভ এবং এখনও ভালো থাকার একমাত্র শক্তি।

এমএ/

shopno
  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত