ঢাকা, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২১, ২২:৩১

প্রিন্ট

কাশ্মীরের নেতাদের সঙ্গে মোদির বৈঠক ফলপ্রসূ, রাখা হলো ৫ দাবি

কাশ্মীরের নেতাদের সঙ্গে মোদির বৈঠক ফলপ্রসূ, রাখা হলো ৫ দাবি
ছবি- সংগৃহীত

ময়ুখ বসু, কলকাতা

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের নেতাদের সর্বদলীয় বৈঠক শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের এই বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি ডিলিমেশন প্রসেসে (সীমানা প্রক্রিয়া) সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, ‘ন্যাশনকাল কনফারেন্স’(এনসি) দলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা, এনসি নেতা ওমর আবদুল্লা, ‘পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি) সভাপতি মেহবুবা মুফতি, সিপিআইএম নেতা মোহাম্মদ ইউসুফ তারিগামি, কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, তারা চাঁদ এবং জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেস সভাপতি গুলাম আহমেদ মীর, বিজেপি নেতা রবীন্দর রাইনা, নির্মল সিং ও কবীন্দর গুপ্তা, আপনি পার্টি নেতা আলতাফ বুখারি, পিপলস কনফারেন্স (পিসি) সভাপতি সাজাদ লোন ও দলের নেতা মুজাফ্ফার হুসেন বেগ, ‘ন্যাশনাল প্যান্থার পার্টি’র নেতা প্রফেসর ভীম সিং প্রমুখ।

বৈঠকে উপত্যকায় রাষ্ট্রপতি শাসনে ইতি টেনে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া, সেখানকার সার্বিক উন্নয়ন নির্বাচনসহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। বৈঠক শেষে সব নেতারাই ওই বৈঠককে সদর্থক বলে জানান। এদিনের বৈঠক ঘিরে জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়।

বৈঠকে বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঁচটি দাবি রাখেন। দাবিগুলো হলো- কাশ্মীরের বিধানসভা ভোট, কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের অধিকার, কাশ্মীরের মানুষের জমির অধিকার সুরক্ষিত করা এবং কাশ্মীরের পণ্ডিতদের সসম্মানে ফিরিয়ে আনা। সেই সঙ্গে কাশ্মীরে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেয়ার দাবিও জানানো হয়।

পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীরের যুবকদের চাকরি দেওয়ার দাবিও তোলা হয়। এদিন দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই বৈঠক শেষে সব পক্ষই খুশি বলে জানা গেছে। বৈঠক সফল হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।

বৈঠক শেষে কাশ্মীরের পিপলস কনফারেন্সের চেয়ারম্যান মুজাফফর বাগ বলেন, আমরা সবাই একমত হয়েছি যে, আমাদের অবশ্যই জম্মু ও কাশ্মীরের গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি খুব ধৈর্য্য সহকারে সব শুনেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন এবং সব বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত নির্ধারণ হয়ে গেলেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হবে জোরকদমে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি রাখা হয় বৈঠকে।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত