ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮ আপডেট : ২ মিনিট আগে

দিল্লিতে ‘হাভানা সিন্ড্রমে’ ভূগেছিলেন সিআইএ কর্মকর্তা

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৬

দিল্লিতে ‘হাভানা সিন্ড্রমে’ ভূগেছিলেন সিআইএ কর্মকর্তা
প্রতীকী ছবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুরুতে অদ্ভুত সব শব্দ কানে বাজে; তারপর তীব্র মাথা ব্যাথা, ক্লান্তি ভাব, মাথা ঘোরা, ঘুমের সমস্যা এবং সব শেষে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া। এই হল হাভানা সিনড্রোমের উপসর্গ। এতদিন এ রোগ ভারতে ছিল না। তবে এ মাসে ধরা পড়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ সিআইএ-র এক কর্মকর্তা ভারতে এসেছিলেন। তার শরীরে হাভানা সিনড্রোমের প্রায় সব উপসর্গই দেখা গিয়েছিল। ভারতের নয়াদিল্লিতে তার চিকিৎসাও হয়েছে। খবর আনন্দবাজার অনলাইনের।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস সম্প্রতি এ রোগের কারণে তার ভিয়েতনাম সফর বাতিল করতে বাধ্য হন। কমলা হ্যারিস ভিয়েতনামে যাওয়ার কয়েক দিন আগে থেকেই সেখানে থাকা মার্কিন কর্মীরা একের পর এক এই রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করেন। সেটা গত মাসের ঘটনা। তবে হাভানা সিনড্রোম প্রথম দেখা দিয়েছিল পাঁচ বছর আগে।

স্নায়ুজনিত এ রোগ কিউবার রাজধানী হাভানায় প্রথম দেখা যায় ২০১৬ সালের শেষার্ধে। রাশিয়া, চীন, অস্ট্রিয়া এবং আরও বেশ কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তারা এ রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করেন। হাভানায় সংখ্যাটা ছিল সবচেয়ে বেশি। সেখানে এটি ধরাও পড়ে প্রথম।

আক্রান্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছিলেন, তারা অদ্ভুত সব শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। তার সঙ্গে মাথা ব্যাথা, মাথা ঘোরা, বমি ভাব, ক্লান্তি, অনিদ্রার মতো উপসর্গও ছিল প্রত্যেকেরই। শেষে সবারই শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২০১৬ সালের পর থেকে গত পাঁচ বছরে কম করে ২০০ জন মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবার পরিজন এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। ২০১৯ সালের একটি সমীক্ষা আবার দাবি করছে, এ সব রোগীদের মস্তিষ্কে পরে অস্বাভাবিকতাও দেখা গিয়েছিল।

এ রোগের কারণ কী, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক তত্ত্ব সামনে এসেছে। তার মধ্যে একটিতে এমনও দাবি করা হয়েছে যে বিশেষ শব্দ অস্ত্রে ঘায়েল হয়েছেন ওই রোগীরা। কেউ বলছেন, মানসিক চাপ থেকে তৈরি হয়েছে সমস্যা। যদিও ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের দাবি, বিশেষ ধরনের মাইক্রোওয়েভ বিকিরণও এ রোগের কারণ হতে পারে।

বাংলাদেশ জার্নাল / টিটি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত