ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : ১১ মিনিট আগে

মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির ‘রাক্ষুসে’ ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২২, ১১:৪৭

মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির ‘রাক্ষুসে’ ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির মাঝখানে থাকা কৃষ্ণগহ্বর ‘স্যাজিটেরিয়াস এ’-র সেই ছবি। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মহাকাশের ‘আকাশগঙ্গা ছায়াপথের’ (মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি) ঠিক মাঝখানে থাকা সেই ‘দানবাকৃতি রাক্ষুসের’ সন্ধান মিলেছিল বেশ কয়েক বছর আগেই। প্রথমবার সেই ‘স্যাজিটেরিয়াস এ’-র ছবি তুলতে সক্ষম হলেন ইন্টারন্যাশনাল কনসর্টিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান ‘এজেন্সি ন্যাশানাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন’ (এনএসএফ)-এর সহায়তায় আটটি রেডিও টেলিস্কোপের সম্মিলিত ছবিকে একত্র করে বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছে।

‘স্যাজিটেরিয়াস এ’ আদতে একটি দানবাকৃতি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর। ২০১৯ সালের মে মাসে কয়েক দিন ধরে অদ্ভুত একটা আলোর ঝলসানি দেখে তার সক্রিয়তাকে চিহ্নিত করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। যা দেখে মনে করা হয়েছিল, পৃথিবী থেকে ২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ওই ব্ল্যাক হোলটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গিলতে শুরু করেছে আশপাশের মহাজাগতিক বস্তুগুলোকে।

সক্রিয় ব্ল্যাক হোলগুলো তাদের জোরালো অভিকর্ষ বলের টানে ছোট মহাজাগতিক কণা থেকে শুরু করে গ্রহ, উপগ্রহ ঘন জমাট বাঁধা গ্যাস- এমনকি, আলোর রশ্মিকেও ‘গিলে’ নিতে পারে। কিন্তু আমাদের মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মাঝখানে থাকা ‘স্যাজিটেরিয়াস এ’-কে এতোদিন ‘উপোসী’ থাকতেই দেখা গিয়েছিল।

২০১৯-এ সক্রিয় হওয়ার পর তার ছবি তোলার চেষ্টা শুরু হয়েছিল। কিন্তু ব্ল্যাক হোলের ‘আলো শুষে নেওয়ার প্রবল ক্ষমতার জন্য অসুবিধায় পড়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে প্রথম বার অন্য একটি ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলেছিল ইন্টারন্যাশনাল কনসর্টিয়াম। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন।

বাংলাদেশ জার্নাল/টিটি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত