ঢাকা, শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ আপডেট : ৯ মিনিট আগে

সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ৬১ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩৫  
আপডেট :
 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫:৪৪

সিরিয়ার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ৬১ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার
নৌকা ডুবি। ফাইল ফটো
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিরিয়ার উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১-তে দাড়িয়েছে। এ ঘটনায় অনেককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিবাসী ও শরণার্থীদের বহনকারী নৌকাটি লেবানন থেকে যাওয়ার পথিমধ্যে সিরিয়ার উপকূলে ডুবে যায়।

শুক্রবার সিরিয়ার সরকারের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। জীবিত উদ্ধার হওয়া আরও ২০ জনকে তার্তুসের বাসেল হাসপাতালে চিকিৎসা করা হচ্ছে।

সিরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে বলেছে, গত মঙ্গলবার লেবাননের উত্তর মিনিয়েহ অঞ্চল থেকে নৌকাটি যাত্রা শুরু করে এবং এটিতে ১২০ থেকে ১৫০ জনের মধ্যে আরোহী ছিল।

কিছু লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংকট-বিধ্বস্ত লেবানন থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ক্রমেই বাড়ছে এবং অবৈধ এই যাত্রা পথে এটিই সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা।

তার্তুসের গভর্নর আব্দুল হালিম খলিল হাসপাতালে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের দেখতে গেছেন বলে জানা গেছে। অবশ্য ডুবে যাওয়া নৌকায় ঠিক কতজন লোক ছিল এবং তারা ঠিক কোথায় যাচ্ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। তবে কোস্টগার্ড এখনও মৃতদেহের সন্ধান করছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে বিভিন্ন দেশের মানুষ ছিল।

আলজাজিরা বলছে, হাজার হাজার লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনি গত কয়েক মাস ধরে ইউরোপে আরও ভালো জীবনের আশায় নৌকায় করে লেবানন ছেড়েছে। লেবাননের জনসংখ্যা ৬০ লাখ, যার মধ্যে ১০ লাখ সিরীয় শরণার্থী রয়েছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , দেশ ছেড়ে যাওয়া অভিবাসীরা উত্তর লেবাননের উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা। এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ছোট এই দেশটির সবচেয়ে দরিদ্র অঞ্চল।

গত এপ্রিল মাসে লেবাননের নৌবাহিনীর সাথে সংঘর্ষের পর, সমুদ্রপথে ইতালিতে অভিবাসনের চেষ্টারত কয়েক ডজন লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনিদের বহনকারী একটি নৌকা ত্রিপোলি বন্দর থেকে ৫ কিমি (৩ মাইল) এরও বেশি দূরে ডুবে যায়। এ ঘটনায় সেসময় বহু মানুষ প্রাণ হারায়।

বাংলাদেশ জার্নাল/জিকে/এমআর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত