ঢাকা, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ৭ মিনিট আগে
শিরোনাম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৩

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৬:০৯

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৩
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৩। ছবি: সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিজিয়ার প্রান্তে এক বেসামরিক গাড়িবহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এই ঘটনায় ২৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানান, শহরটির ওরেখোভো গাড়ি বাজারের মাটিতে বা এখনও গাড়ির ভেতরে মৃতদেহগুলো পড়ে আছে। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বাজারের গাড়ির দুটি লাইনের কাছে একটি গর্ত তৈরি হয়েছে।

জাপোরিজিয়া অঞ্চলের ইউক্রেইনীয় গভর্নর ওলেকজান্দার স্তারুখ টেলিগ্রামে লিখেছেন, এ পর্যন্ত ২৩ জন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছে। সবাই বেসামরিক।

ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণে চারদিকে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে, শার্পনেলের আঘাতে গাড়িগুলো ঝাঁঝড়া হয়ে যায়। বহরের অধিকাংশ গাড়ি ও তিনটি মাইক্রোবাসের জানালা উড়ে যায়। পুলিশ ও জরুরি বিভাগের কর্মীরা হতাহতদের সরিয়ে নিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

রয়টার্স জানিয়েছে, গাড়িগুলো আরোহীদের জিনিসপত্র, কম্বল ও সুইকেসে ভরা ছিল। হলুদ রঙের একটি গাড়ির চালকের আসনে বসা এক ব্যক্তির মৃতদেহ কাত হয়ে যাত্রীর আসনে পড়ে আছে, তার বাম হাত তখনও গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল ধরে আছে।

সামনে সবুজ রঙের আরেকটি গাড়িতে এক নারী ও এক তরুণের মৃতদেহ প্লাস্টিকে শিট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। পেছনের আসনে মৃতে তরুণের লাশের পাশে একটি মৃত বিড়াল পড়ে আছে।

এই গাড়ির সামনে একটি সাদা মাইক্রোবাসে আরও দুটি মৃতদেহ পড়ে ছিল, এর জানালাগুলো উড়ে গেছে আর একপাশ ক্ষেপণাস্ত্রের শার্পনেলে ক্ষতবিক্ষত হয়ে আছে।

নিজেকে নাতালিয়া বলে পরিচয় দেয়া এক নারী জানান, তিনি ও তার স্বামী জাপোরিজিয়ায় তাদের শিশুদের দেখতে এসেছিলেন।

স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, আমরা আমার মার কাছে ফিরে যাচ্ছিলাম। তার বয়স ৯০ বছর। আমরা বেঁচে গেছি। এটা অলৌকিক।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেইনে কথিত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করা রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিকদের লক্ষ্যস্থল করার কথা অস্বীকার করেছে, যদিও তাদের আক্রমণে ইউক্রেইনের শহর ও নগরগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত