ঢাকা, বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে
শিরোনাম

তাইওয়ানে স্থানীয় নির্বাচনে বিরেধী দলের জয়, দলের নেতৃত্ব ছাড়লেন প্রেসিডেন্ট

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৭:৪১  
আপডেট :
 ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৭:৫১

তাইওয়ানে স্থানীয় নির্বাচনে বিরেধী দলের জয়, দলের নেতৃত্ব ছাড়লেন প্রেসিডেন্ট
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তাইওয়ানে। ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, রাজধানী তাইপেসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক এলাকায় ক্ষমতাশীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) প্রার্থীদের হারিয়েছে প্রধান বিরোধীদল কুওমিনতাংয়ের (কেএমটি) প্রার্থীরা। এই হারের ব্যর্থতা মাথায় নিয়ে দলীয় প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী তাইপেসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা ও শহরের মেয়র পদের ২১টির মধ্যে ১৩টিই কুওমিনতাংয়ের প্রাথীরা জয়লাভ করেছে।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ​​ইং-ওয়েন নির্বাচনটিকে একটি স্থানীয় ভোটের চেয়ে বেশি বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্ব দেখছে চীনের সাথে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে তাইওয়ান কীভাবে তার গণতন্ত্রকে রক্ষা করে।

শনিবার রাতে এক ভাষণে সাই বলেন, তাইওয়ান শক্তিশালী বাহ্যিক চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। চীনা কর্তৃত্ববাদের বিস্তার তাইওয়ানের জনগণকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের নীচের লাইন মেনে চলার জন্য প্রতিদিন চ্যালেঞ্জ করছে।

এদিকে তাইওয়ানের প্রধান বিরোধী দল, কুওমিনতাং বা কেএমটি, ২০১৮ সালের স্থানীয় নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলো এবং সাইয়ের ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) কে চীনের সাথে অত্যধিক দ্বন্দ্বের জন্য অভিযুক্ত করেছে। কেএমটি ঐতিহ্যগতভাবে চীনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পক্ষপাতী কিন্তু বেইজিংপন্থী হওয়াকে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে।

শনিবার গভীর রাতে পার্টির সদর দফতরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় কেএমটি চেয়ারম্যান এরিক চু বলেছেন, কেএমটি বুঝতে পেরেছে যে শুধুমাত্র ঐক্যবদ্ধ হলেই তারা জিততে পারে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ, জাপানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং মূল ভূখণ্ডের (চীন) সাথে শান্তি থাকার কথা বলি।

তিনি বলেন, তাইওয়ানের জনগণ আমাদের একটি সুযোগ দিয়েছে। নিঃস্বার্থ হওয়াই একমাত্র সুযোগ যে ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হতে পারে কেএমটি।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফল উভয় দলের জন্য জনপ্রিয় সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপক ছিলো। যা ২০২৪ সালে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট এবং সংসদীয় নির্বাচনের দৌড়ের জন্য একটি সূচনা হিসাবে ধরা হবে। যেখানে কেএমটি এগিয়ে থাকলো।

সূত্র: রয়টার্স

বাংলাদেশ জার্নাল/এমআর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত