ঢাকা, সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ আপডেট : ৫০ মিনিট আগে
শিরোনাম

ঘণ্টায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে তাজা বাতাস

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৮:০৫  
আপডেট :
 ২২ জানুয়ারি ২০২৩, ১৫:৪৭

ঘণ্টায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে তাজা বাতাস
দুসিত কাচাইয়ের খামারের একটি অংশ। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিভিন্ন কারণে ক্রমশ পৃথিবীতে দূষণ বাড়ছে। শহরাঞ্চলে শ্বাস নেয়াই দায় হয়ে পড়ছে। তাজা বাতাসের সন্ধানে শহর থেকে দূরে, গ্রামীন প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসার প্রবণতা ক্রমে বাড়ছে। আর এই প্রবণতাকে কাজে লাগিয়েই ব্যবসা খুলে বসেছেন থাইল্যান্ডের এক কৃষক। দুষণ সঙ্কটকে তিনি অর্থ উপার্জনের উপায় হিসেবে ধরে নিয়েছেন। তার খামারে তিনি ঘণ্টা হিসেবে তাজা বাতাস বিক্রি করছেন। ঘণ্টা প্রতি ১ হাজার বাথ বা বাংলাদেশি ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে তাজা বাতাস বিক্রি করা শুরু করেছেন তিনি।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই অভিনব ব্যবসা খুলে বসা থাই কৃষকের নাম দুসিত কাচাই। বয়স ৫২ বছর। তার খামারে থাকলে, প্রথম ঘণ্টার জন্য ১ হাজার বাথ দিতে হয়। তবে তারপর পর্যটকরা বিনামূল্যে খাবার এবং থাকার সুযোগ পাবেন। শিশু ও বৃদ্ধদের অবশ্য তাজা বাতাসের জন্য কোনও অর্থ দিতে হবে না, বিনামূল্যেই তার খামারে থাকতে পারবেন তারা।

থাইল্যান্ডের ফু লেন খা ন্যাশনাল পার্কের এক প্রান্তে অবস্থিত কাচাইয়ের খামারটি। থাইল্যান্ডের এই জাতীয় পার্ক তাজা বাতাস, সবুজ বনাঞ্চল এবং সুদৃশ্য পাহাড়ি এলাকার জন্য বিখ্যাত। প্রচুর পর্যটক এই এলাকায় বেড়াতে আসেন। এই পর্যটকদেরই নিশানা করছেন দুসিত। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ‘এশিয়ান লাইফ’ নামে এক পরিবেশবাদী গোষ্ঠী চালান তিনি।

কেন তাজা বাতাসের বিনিময়ে তিনি অর্থ নিচ্ছেন? শ্বাস নেয়ার বাতাসও কি বিক্রির পণ্য? এই প্রশ্নের উত্তরে কাচাই জানিয়েছেন, ওজোন স্তরের হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং দূষিত বাতাসের মতো পরিবেশগত হুমকি থেকে বাঁচতে আরও বেশি বেশি করে মানুষ এখন প্রকৃতির সন্ধান করছে, অভয়ারণ্যের সন্ধান করছে।

তিনি আরও বলেছেন, ফু লেন খা উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত আমার খামার। খামারের বাতাসের গুণমান এতটাই ভাল যে, এই বাতাস প্রতি ঘন্টায় ১ হাজার ভাট অর্থে বিক্রি করা যেতে পারে। এই বিষয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী।

এদিকে এই অর্থ সংগ্রহের পেছনে কাচাইয়ের একটি মহৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। ‘এশিয়ান লাইফ’-এর সেক্রেটারি হিসেবে পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রচার চালাতে এবং বাতাসের গুণমান উন্নত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর সেই কাজের জন্যই বাতাস বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করছেন তিনি।

সূত্র: নিউজ১৮

বাংলাদেশ জার্নাল/এমআর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত