ঢাকা, শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ আপডেট : ১ মিনিট আগে
শিরোনাম

পূর্ব লাদাখে ৬৫টি পেট্রোলিং পয়েন্টের ২৬টির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ভারত

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১৯:৩৭

পূর্ব লাদাখে ৬৫টি পেট্রোলিং পয়েন্টের ২৬টির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ভারত
লাদাখ ফ্রন্টিয়ার এলাকা। ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পূর্ব লাদাখে ৬৫টি পেট্রোলিং পয়েন্টের মধ্যে ২৬টি পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে ভারত। লাদাখের প্রধান শহর লেহ-এর পুলিশ সুপার পি ডি নিত্য লাদাখ সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এমনই রীতিমতো বিস্ফোরক রিপোর্ট জমা দিয়েছেন দিল্লিতে। তার রিপোর্ট অনুযায়ী লাদাখ ফ্রন্টিয়ার এলাকায় এই মুহূর্তে ভারতের নিরাপত্তারক্ষীরা বেশ পিছিয়ে রয়েছে।

পিডি নিত্য তার রিপোর্টে জানিয়েছেন, লাদাখ ফ্রন্টিয়ারে মোট ৬৫টি পেট্রোলিং পয়েন্টের মধ্যে ২৬টি পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণে নেই ভারত। ৫ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্ট থেকে ১৭ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্ট, ২৪ থেকে ৩২ এবং ৩৭ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্টে আর ভারতের নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ন্ত্রণ নেই। এই পেট্রোলিং পয়েন্টগুলোতে ভারতের নিরাপত্তারক্ষী বা সাধারণ নাগরিক কেউই দীর্ঘদিন যেতে পারেননি। এর ফলে লাদাখের ফ্রন্টিয়ারে যে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা আছে, তার একটা বড় অংশে এখন নিয়ন্ত্রণ নেই ভারতের।

গত সপ্তাহের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দেশটির শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের বার্ষিক সম্মেলনে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন পিডি নিত্য। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল চীন এই এলাকাগুলোতে এখনও পেট্রোলিং করছে এবং এই পেট্রোলিং পয়েন্টগুলে তাদের দখলে। যার ফলে ভারতের দখলে থাকা এলাকাগুলো বাফার জোনে পরিণত হচ্ছে। এমনকী, ওই বাফার জোনগুলোতেও ভারতের নিরাপত্তারক্ষীদের যেতে দেয়া হচ্ছে না। চীন ধীরে ধীরে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে ভারতের জমি গ্রাস করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

পিডি নিত্য তার নিজের রিপোর্টে এ বিষয়ে এক সেনা কমকর্তার বক্তব্যও প্রকাশ করেছেন। যা আরও উদ্বেগজনক। সেই সেনা কমকর্তার বলেছেন, যদি ৪০০ মিটার জমি দিয়ে চীনা সেনাকে ৪ বছর শান্ত রাখা যায়, সেটা মোটেই লোকসানের চুক্তি নয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনী অবশ্য এই রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ভারত চীনের কাছে কোনও জমি হারায়নি। কিছু কিছু এলাকায় আলোচনার মাধ্যমে দুই শিবিরই পেট্রোলিং বন্ধ রেখেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

বাংলাদেশ জার্নাল/এমআর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত