ঢাকা, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ আপডেট : ৮ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে মোদি

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৩, ১৮:২৬  
আপডেট :
 ০৩ জুন ২০২৩, ১৮:৩২

ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । ছবি- সংগৃহীত

ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া দুর্ঘটনাস্থল ভারতের ওডিশা রাজ্যের বালেশ্বরে পৌঁছলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার বিকালে তিনি দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বালেশ্বর হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী। এসময় আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। এর আগে সকালে দিল্লিতে দুর্ঘটনা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় ট্রেন দুর্ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা দুঃখজনক ঘটনা। আহতদের চিকিৎসায় কোনও খামতি রাখবে না সরকার। খুবই গুরুতর ঘটনা এটা। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। দোষীদের কড়া শাস্তি দেয়া হবে।’

বালেশ্বরে গিয়ে দুর্ঘটনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কথা বলেন রেলের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গেও।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া থেকে চেন্নাইগামী যাত্রীবাহী করমণ্ডল এক্সপ্রেসের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পাশের ট্র্যাকে পড়েছিল। হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ওপাশ থেকে আসা লাইনচ্যুত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের কোচগুলোকে ধাক্কা দেয়। এসময় আরও একটি মালবাহী ট্রেন সেখানে ছিল। ওই ট্রেনের সঙ্গেও করমণ্ডলের বগির ধাক্কা লাগে। এতে বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ পর্যন্ত ২৬১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদেরও আশঙ্কা, উদ্ধারকাজ যত এগোবে, নিহত এবং আহতের সংখ্যা আরও বাড়বে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনে অনেক যাত্রী আটকে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ভারতে যত ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেসবের মধ্যে গতকাল শুক্রবারের দুর্ঘটনাটি ছিল অন্যতম ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী।

ইতোমধ্যে শুক্রবারের দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে ১০ লাখ রুপি ও আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে ক্ষতপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক হতাহতদের জন্য শনিবার রাজ্যে এক দিন শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনাটি হয়েছিল ১৯৮১ সালে। ঘূর্ণিঝড়ের শিকার হয়ে বিহারের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন নদীতে পড়ে গিয়েছিল সেবার। এতে ৮০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। সূত্র: আনন্দবাজার

বাংলাদেশ জার্নাল/সামি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত