ঢাকা, রোববার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ আপডেট : ৫০ মিনিট আগে
শিরোনাম

আন্তর্জাতিক পুরস্কার কি বোঝে আপনজন হারানোর বেদনা?

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১৯:০৯

আন্তর্জাতিক পুরস্কার কি বোঝে আপনজন হারানোর বেদনা?
ইনাস আবু মামারের কোলে ভাতিজির মৃতদেহ। ছবি: সংগৃহীত

আপনজন হারানোর বেদনা সে-ই বোঝে যার হারিয়ে যায়। এমন একটি ঘটনা গাজা উপত্যকার দক্ষিণে ঘটেছে, যেখানে মাত্র ৫ বছরের ভাতিজির মৃত্যুতে এক নারী মূহূর্তে যেন স্তব্ধ হয়ে যান। কিছুক্ষণের জন্যে এ নারীর সামনে পৃথিবী থমকে দাঁড়ায়। অথচ সবাই তখন ছুটছে।

এই নারীর নাম, ইনাস আবু মামার। বয়স মাত্র ছত্রিশ। আর জড়িয়ে থাকা মৃহদেহের শিশুটি তার ভাতিজি, নাম স্যালি।

তিনি শুধু বিলাপ করছিলেন, ‘আমি আর পারছি না। আমাকেও মেরে ফেলো। ’ এই ঘটনা গতবছরের ১৭ অক্টোবরের। গাজা উপত্যকার দক্ষিণে খান ইউনুস এলাকায় নাসের হাসপাতালে হামলা চালায় ইসরাইল। ওই হামলার পর মানুষজনের যেন কোনো হুঁশ ছিল না। তারা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দৌড়াচ্ছিল। তাদের প্রিয়জনের কি পরিণতি হয়েছে তা জানতে উন্মাদের মতো আচরণ করছিলেন। সেসময় পেশায় ফিলিস্তিনি ফটোসাংবাদিক মোহাম্মদ সালেম যাচ্ছিলেন ওইপথে। তার নজরে পড়ে ওই নারীর বিলাপ। ছবি তোলেন কয়েকটি। এরমধ্যে একটির ক্যাপসন দেন, ‘এ প্যালেস্টাইনিয়ান ওম্যান এমব্রেসেস দ্য বডি অব হার নাইস’ অর্থাৎ ফিলিস্তিনি এক নারী তার ভাতিজির মৃতদেহ জড়িয়ে ধরে বিলাপ করছেন। আলজাজিরা প্রকাশ করে পরদিন।

এরপর প্রায় ৫ মাস পর বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জানা গেল, এ ছবিটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছে। সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে। ফটোসাংবাদিক মোহাম্মদ সালেমের কাছেও খবরটি পৌঁছে যায়।

তিনি ওয়ার্ল্ড ফটো ডটকমকে বলেন, আপনজন হারানোর বেদনা কি বোঝে আন্তর্জাতিক পুরস্কার?

সূত্র, ব্লুমবার্গ।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত