ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ১০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১২ জুন ২০১৯, ১৪:৫৬

প্রিন্ট

রহস্যময় রোগে ৩৬ শিশুর মৃত্যু, অসুস্থ ১৩৩

অজানা রোগে ৩৬ শিশুর মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক

ভারতের বিহার রাজ্যের মুজফফরপুরে অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় ৩৬টি শিশু মারা গেছে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ১৩৩ শিশু। বুধবার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

ঠিক কী রোগে ওই রাজ্যের শিশুরা মারা যাচ্ছে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকরা। তাদের এক অংশের ধারণা, শিশুরা এনকেফেলাইটিস (Acute Encephalitis Syndrome) নামক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে । তবে অন্য চিকিৎসকদের দাবি, এদের বেশ কয়েকজন শিশু রক্তচাপ জনিত সমস্যায় প্রাণ হারিয়েছে।

মুজফফরপুর জেলার শ্রী কৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজের সুপার এস কে সাহি বলেছেন, গোটা ঘটনাটি পরীক্ষা করে দেখতে হবে। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে ৯০ ভাগ শিশুর মৃত্যুর কারণ রক্তচাপ কমে যাওয়া। কারণ যাই হোক, শিশুদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা বড় আকার ধারণ করছে। গোটা জেলার প্রায় সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে নানা রকম শারীরিক জটিলতা নিয়ে ভর্তি হয়েছে শিশুরা।

এনকেফেলাইটিস- এ আক্রান্ত হওয়া এই এলাকার শিশুদের জন্য নতুন কোনো বিষয় নয়। সাধারণতঃ গরমের সময় বিহারের এই এলাকার ১৫ বছরের চেয়ে কম বয়সী শিশুরা এনকেফেলাইটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগের লক্ষণ হচ্ছে, প্রথমে শিশুরা জ্বরে আক্রান্ত হয়। এরপর অসংলগ্ন ব্যবহার করতে শুরু করে।

এদিকে রাজ্যের একটি মাত্র জেলায় একসঙ্গে এত শিশুর মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। তিনি বলেছেন, দেখে শুনে মনে হচ্ছে, কীভাবে রোগের মোকাবিলা করা যেতে পারে সে ব্যাপারে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে।

তার ভাষায়, ‘গত দু'বছরের পরিসংখ্যান বলছে মৃতের সংখ্যা কমেছিল। কিন্তু এবার তা হল না। মনে হচ্ছে সচেতনা প্রচারের কাজ ঠিকভাবে হয়নি।’

তিনি মনে করেন, শিশুদের খালি পেটে না রাখলেই এই রোগ ঠেকিয়ে রাখা যাবে। যদিও এ বিষয়ে চিকিৎসকদের কোনো পরামর্শ পাওয়া যায়নি।

এদিকে কী কারণে এতগুলি মৃত্যু হয়েছে তা জানতে জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করছেন বিহারের স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারারা। চিকিৎসক থেকে শুরু করে শিশুদের বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা।

সূত্র: এনডিটিভি

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close