ঢাকা, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০১৯, ০৭:০৬

প্রিন্ট

কাশ্মীর থেকে উঠছে কারফিউ

কাশ্মীর থেকে উঠছে কারফিউ
জার্নাল ডেস্ক

বড় কোনো গণ্ডগোল ছাড়াই কেটেছে ঈদুল আজহা। এ বার স্বাধীনতা দিবস ভালভাবে কেটে গেলে কাশ্মীর থেকে কারফিউ প্রত্যাহারের চিন্তা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এরপর ধাপে ধাপে ফেরানো হবে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা।

ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, আগস্ট মাসের মধ্যেই কাশ্মীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চাইছে মোদি সরকার।

এদিকে আগামী ১২-১৪ অক্টোবর কাশ্মীরে প্রথম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মাঝে এক মাস। তাই দ্রুত কারফিউ তুলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চাইছে নয়াদিল্লি।

এদিকে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের পরে শ্রীনগরের শৌরায় স্থানীয় জনতা ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইট-পাথর। ওই ঘটনার ভিডিও একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দেখানো হলে শনিবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করে, খবরটি ভুয়া।

তবে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) আগের অবস্থান পাল্টে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়, ‘সে দিন নামাজিদের ভিড়ে দুষ্কৃতীরা মিশেছিল। তারাই পাথর ছুঁড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অশান্তি শুরু হয়।’ তবে ওই বিক্ষোভে গুলি বা ছররা বন্দুক চালানো হয়নি বলে দাকি করা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) কাশ্মীরের অবস্থা ছিলো অপেক্ষাকৃত শান্ত। সকালের দিকে কারফিউ শিথিল করা হয়।

শ্রীনগর প্রশাসন জানিয়েছে, কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি। এদিকে আগামী ১৫ আগস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শ্রীনগরের লালচকে পতাকা তুলবেন বলে জল্পনা ছড়ালেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এমন পরিকল্পনা নেই।

পরিস্থিতি বুঝতে মঙ্গলবার পথে নামেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। যান সিআরপিএফ ছাউনিতে।

এদিন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়তও দাবি করেন, ‘কাশ্মীরিদের সঙ্গে সেনাদের সুসম্পর্ক অটুট রয়েছে। সত্তর বা আশির দশকে যে ভাবে সেনারা খালি হাতেই কাশ্মীরিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত, আশা করছি, ভবিষ্যতেও সেই ছবি দেখা যাবে।’

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত