ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:২৫

প্রিন্ট

মোদির দোকানে আর মেলে না ‘চা’!

মোদির দোকানে আর মেলে না ‘চা’!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শৈশবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংগ্রামের গল্প অনেকেরই জানা। ছোটবেলায় গুজরাটে রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে চা বিক্রি করতেন তিনি। পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে তার কাছে এর বিকল্প ছিলো না তখন। এখন তিনি ভারতসহ বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। তার সংগ্রামের দিনগুলো অসংখ্য মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা।

গুজরাটের মেহসানা জেলায় বডনগর স্টেশনে মোদির পুরনো দোকানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে সরকারিভাবে। যদিও চা সেখানে মেলে না। একটি ভাঙাচোরা টিনের ‘স্মারক’। তাতে লেখা— ‘নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকান। আপনি সিসিটিভি-র নজরে।’

বছর দুই আগে নরেন্দ্র মোদি গিয়েছিলেন এই স্টেশন চত্বরে। তার আগে ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও রেল মন্ত্রণালয় মিলে ৮ কোটি টাকা খরচ করে গোটা স্টেশনটি নতুন করে সাজায়; কিন্তু ‘মোদি’-র চায়ের দোকানটি রাখা হয়েছে আগের মতোই। সেটি অবিকল পুরনো অবস্থাতেই রাখা হয়েছে।

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে জানতে চাওয়া হয়েছিলো, এই স্টেশনে নরেন্দ্র মোদি চা বেঁচেছেন, এমন কোনও প্রমাণ কি আছে? রেল মন্ত্রণালয়ের উত্তর ছিলো- না। মোদি আসলেই চা বিক্রেতা ছিলেন কি না তা নিয়ে বিতর্ক আছে ভারতে।

কলকাতার বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারের এক রিপোর্টার সম্প্রতি গিয়েছিলেন সেখানে। তিনি তথ্যটি যাচাই করার চেষ্টা করেছেন।

তিনি লিখেছেন, স্টেশনের বাইরে এসে প্রথম যে দোকান পাওয়া গেল, সেটি রমনজি তাখাজির। দুই প্রজন্মের দোকান। রমনজির বয়সও ষাটের উপরে। প্রশ্নটি প্রথম তাকেই করলাম, নরেন্দ্র মোদিকে কখনও চা বেচতে দেখেছেন? জবাব এল— ‘আমি তো কখনও দেখিনি। আগে দামোদরদাসের (মোদির বাবা) চায়ের দোকান ছিলো স্টেশনের বাইরে। যেখানে এখন চায়ের দোকান সাজিয়ে রাখা হয়েছে, সেখানে ছিলো না ওটা; কিন্তু দেখুন, ওই এক চায়ের দোকান সাজানোর জন্য আশপাশের এক শ দোকান উচ্ছেদ করে দিয়েছে। সকলে এখন বেকার।’

সেই দোকানদার বললেন, ‘একটু দূরেই এক বৃদ্ধাশ্রম চালান মোদির বড় ভাই সোমভাই। সেখানে যান, এমন কাউকে পেতে পারেন’। ‘শ্রী সাই ধাম’ বৃদ্ধাশ্রম সেটি। ভিতরে ঢুকতেই আরাম কেদারায় বসা জনা তিনেক বৃদ্ধ স্বাগত জানালেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত