ঢাকা, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৫

প্রিন্ট

ব্রেক্সিট সঙ্কট নিরসনে যা করতে পারেন বরিস

ব্রেক্সিট সঙ্কট নিরসনে যা করতে পারেন বরিস
অনলাইন ডেস্ক

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ব্রেক্সিট ইস্যুতে এ পর্যন্ত ছয়টি প্রস্তাব এনেছিলেন যার সবগুলোই ভোটে বাতিল হয়ে গেছে। এ অবস্থায় মঙ্গলবার থেকে আগামী ৫ সপ্তাহের জন্য মুলতবি করা হয়েছে হয়েছে।

এদিকে ব্রিটিশ গণতন্ত্রকে ‘নসাৎ’করে দেয়ার জন্য জনসনকে দুষছেন বিরোধী নেতারা। তারা বলছেন, কার্যত এর মাধ্যমে দলের এমপিদের বিরোধীদের সাথে জোট বাধা ঠেকানোর চেষ্টা করছেন, যাতে সময় স্বল্পতার কারণে তার চুক্তিহীন ব্রেক্সিট আটকাতে না পারেন তারা। তবে এটা ঠিক যে, এ সময় জনসন কিছু বাড়তি সময় হাতে পাবেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কি করতে যাচ্ছেন তিনি।

বিবিসির রাজনীতি বিষয়ক সংবাদদাতা রব ওয়াটসন বলছেন, জনসনের হাতে মূলত চারটি বিকল্প উপায় রয়েছে। এর মধ্য থেকেই তাকে যেকোন একটিকে বেছে নিতে হবে।

১. আইন অমান্য করে ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে ইইউ ত্যাগ করা

২. দ্রুত একটি চুক্তি করা

৩. পদত্যাগ করা

৪. ইইউ ছাড়ার জন্য সময় বাড়িয়ে নেয়।

তবে যুক্তরাজ্যের জনগণের এইসব বিকল্প মেনে নেয় কিনা সেটাই আসল প্রশ্ন।

যদিও প্রধানমন্ত্রী জনসন বলছেন, পার্লামেন্ট বন্ধ থাকার সময়টিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে চুক্তিতে পৌঁছানোর কাজে ব্যবহার করবে সরকার। একই সাথে চুক্তি ছাড়া ইইউ ত্যাগের বিষয়েও প্রস্তুতি নেয়া হবে। কিন্তু ইইউ বলছে, একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ব্রিটিশ সরকারের কোনো কার্যকর উদ্যোগ তাদের চোখে পড়ছে না।

একই অভিযোগ করেছিলেন দিন কয়েক আগে পদত্যাগ করা কর্মসংস্থান মন্ত্রী অ্যাম্বার রুড। তিনি তখন বলেছিলেন, ব্রেক্সিট নিয়ে বরিস জনসন কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন, এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না।

আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকার সোমবার ইইউ প্রশ্নে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। জনসনকে তিনি জানিয়েছেন,যেকোন বিকল্পের জন্য ইইউ তার পথ খোলা রেখেছে, কিন্তু সেই বিকল্প হতে হবে বাস্তবসম্মত, আইন সম্মত এবং কার্যকর। এখনো ইইউ তেমন পদক্ষেপ দেখতে পায়নি।

বরিস জনসনের হাতে খুব বেশি সময় নেই, এর মধ্যে যে প্রস্তাব সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে'র সময়কালে নেয়া হয়েছিল, সে প্রস্তাবই তিনবার ভোটে বাতিল হয়েছে।

তবে এখনও যে কোনো একটি চুক্তিতে পৌঁছানো এখনো সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, এটি এখনো তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য।

যদিও গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ‘লাফ দিয়ে খাদে পড়ে মরে যাবেন’তবু ব্রেক্সিটের সময় বাড়াতে চাইবেন না। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবার কথা রয়েছে ব্রিটেনের।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত