ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ৫৮ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:৩৮

প্রিন্ট

‘চুক্তি হোক বা না হোক, ব্রেক্সিট হবেই’

‘চুক্তি হোক বা না হোক, ব্রেক্সিট হবেই’
অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিট নিয়ে বিপাকে পড়েছে ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টি। পার্লামেন্টের পর সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়ে ব্যাকফুটে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ফলে ক্রমশই বাড়ছে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের আশঙ্কা। সেই সম্ভাবনা আরও জোরাল করে জনসন বলেছেন, ‘চুক্তি হোক বা না হোক, ব্রেক্সিট হবেই’।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনকে বের করে আনতে মরিয়া প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সেই লক্ষ্যে রোববার থেকে দলের সম্মেলন ডাকেন তিনি। চারদিন ধরে চলবে এই সম্মেলন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এবং সুপ্রিম কোর্টে আগেই পর্যদুস্ত হয়েছেন বরিস জনসন। তবে এখনই নিজের অবস্থান বদল করছেন না তিনি।

রোববারের বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, ব্রাসেলসের সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক, আগামী মাসেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনকে বের করে নিয়ে আসবেন তিনি।

পরে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বরিস বলেন, ‘এখন আমাদের সামনে আগানোর সময়। আর সেটা করতে গেলে আমাদের ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকর করতেই হবে।’

অন্যদিকে, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট পাঁচ সপ্তাহ স্থগিত করে রাখার জন্য রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জনসন।

ব্রেক্সিট সংক্রান্ত বিতর্ক এবং সরকারের ভূমিকায় কিছুটা ক্ষুব্ধ রাজপরিবার। আগামী ৩১ অক্টোবর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে আসার (ব্রেক্সিট) কথা ব্রিটেনের। তার আগে পার্লামেন্ট অধিবেশন স্থগিত করে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস। পরে তার এই সিদ্ধান্তকে বৈধ বলে রায় দেন ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্ট।

গত মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী বরিসের পার্লামেন্ট স্থগিতের আদেশকে বেআইনি ঘোষণা করে এক ঐতিহাসিক রায় দেয় ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্ট। যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতের ১১ বিচারপতি সর্বসম্মতভাবে এ রায় ঘোষণা করেন। সর্বোচ্চ আদালত জানায়, ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকর করার আগে পার্লামেন্ট স্থগিত করার প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিলো না।

রায় ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী বরিসের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্ট লেডি হ্যালে বলেন, তার এই সিদ্ধান্ত আমাদের গণতন্ত্রের মূল বিষয়গুলির উপর চরম প্রভাব ফেলেছে।

এই রায় ঘোষনার পরদিনই পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হয়। কিন্তু সেখানে আদালতের রায়কে সমালোচনা করে বরিস জনসন বলেন, ব্রিটেনের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এ ধরনের রায় দেয়া উচিত হয়নি সুপ্রিম কোর্টের।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত