ঢাকা, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ২৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:৫১

প্রিন্ট

প্রিয়াঙ্কা-মমতার ফোনে আড়ি পাতছে মোদি সরকার

প্রিয়াঙ্কা-মমতার ফোনে আড়ি পাতছে মোদি সরকার
অনলাইন ডেস্ক

ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতার ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ উঠেছে খোদ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে

কংগ্রেসের অভিযোগ দলের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর মেয়ে এবং রাহুল গান্ধীর বোন এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে। তাদের দাবি, হোয়াটসঅ্যাপ থেকে এই সংক্রান্ত একটা মেসেজও নাকি এসেছিল প্রিয়াঙ্কার ফোনে।

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান কংগ্রেস নেতা রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা। এর আগেই ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ এনেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা। এই দুজন ছাড়াও ভারতের আরো কয়েকজন বিরোধী নেতা একই অভিযোগ করেছেন। এদের অন্যতম হলেন এনসিপি দলের প্রফুল পটেল।

কংগ্রেস নেতা সুরযেওয়ালা বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ যাদের ফোন হ্যাক হয় তাদের সবাইকে যখন বার্তা পাঠায়, তখন এরকম একটি বার্তা পান প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।কিন্তু তিনি গুরুত্ব না দিয়ে মেসেজটি ডিলিট করে দেন।

এই ঘটনায় মোদি সরকারের উপরে দায় চাপিয়েছেন অন্তর্বর্তী কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। শনিবার তিনি স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা যে ইসরায়েলি পেগাসাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে মোদি সরকার সমাজকর্মী, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে আড়ি পাতছে। গুরুত্বপুর্ণ তথ্য চুরি করা হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা শুধুমাত্র বেআইনি নয় অসাংবিধানিকও বটে। এটা খুবই লজ্জার।’

সোনিয়ার এই মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এটা খুবই চিন্তার বিষয়। আমার ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে। আমি সেটা বুঝতেও পারছি। সব কিছুতেই নজরদারি চালানো হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। সরকারি কাজকর্ম করতে ব্যাঘাত ঘটছে।’

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে হোয়াটসঅ্যাপের মূল সংস্থা ফেসবুক অভিযোগ করে বলেছিলো, ইসরায়েলি সাইবার সিকিউরিটি সংস্থা এনএসও স্পাইওয়্যার পেগাসাস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভারগুলি ব্যবহার করেছে এবং তারা ২০টি দেশের প্রায় ১,৪০০ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীকে টার্গেট করেছে। তারা আরো জানায়, সাংবাদিক, কূটনীতিক, মানবাধিকার কর্মী এবং সরকারি কর্মকর্তাদের হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভারকে টার্গেট করেছে ওই সংস্থাটি।

এ নিয়ে গত মঙ্গলবার হোয়াটসঅ্যাপের মূল সংস্থা ফেসবুক ইসরায়েলি সাইবার সিকিউরিটি সংস্থা এনএসওয়ের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এনএসও।

সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টি ফোর

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত