ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮ আপডেট : ১ মিনিট আগে

বেকারত্ব নাকি কম বেতনের চাকরি?

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২১, ১৫:১২  
আপডেট :
 ০৭ জুন ২০২১, ১৫:৫৬

বেকারত্ব নাকি কম বেতনের চাকরি?
ছবি- নিজস্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেকারত্ব এক ধরনের অভিশাপ, সমাজ ও পরিবারের বোঝা। সবাই প্রত্যাশা করে নিজের পছন্দসই একটি চাকরির। তবে একটি কথা প্রায়ই শুনে থাকবেন, কম বেতনের চাকরি না করে বেকার থাকা ভালো। আসলেই কি তাই? এই কথা কতটা যৌক্তিক! এবার তাহলে জেনে নেই বেকার না থেকে কম বেতনে চাকরি কেন করবো।

কম বেতনে চাকরি করার ছয়টি কারণ

১. অভিজ্ঞতা অর্জন। আপনি যদি কোনো চাকরি না করেন তাহলে চাকরির জগতে কোনো অভিজ্ঞতা আপনার থাকবে না। চাকরি করলে যেমন অভিজ্ঞতা হবে ঠিক তেমনি পরবর্তী চাকরির জন্য আপনার বায়োডাটাও ভারি হবে।

২. নিজেকে জানতে পারা। আপনি যখন একটি চাকরি করবেন তখন নিজের দোষ-গুন, শক্তি এবং দুর্বলতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনি কোন কাজটিতে বেশি আগ্রহী এবং দক্ষ সেটা জানতে হলেও অল্প বেতনের চাকরিটা করবেন।

৩. যোগাযোগের দক্ষতা বাড়বে। আপনি কম টাকার চাকরি করলে হয়তো আপনি আর্থিকভাবে অতটা স্বাবলম্বী হতে পারবেন না। কিন্তু অন্য দিক দিয়ে অনেক লাভবান হবেন। যোগাযোগ করার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া একটি চাকরি করলে উপরস্থ কর্মকর্তাদের সম্পর্কে ধারণা পাবেন যা পরবর্তী চাকরিতে সাহায্য করবে।

৪. কিছু টাকা অন্তত পাবেন। কথায় আছে নাই মামার থেকে কানা মামা ভালো। এই কথার মানে হচ্ছে আপনার কোনো মামাই নেই, এর থেকে যে মামা কানে শুনতে পায় না সে কি উত্তম নয়। সহজ অর্থে একদম কিছু না থাকার চেয়ে অল্প কিছু থাকা ভালো। ঠিক তেমনি কোনো চাকরি না করে বেকার থাকার চেয়ে অল্প বেতনের চাকরি করা কি ভালো নয়।

৫. আপনি এখন বেকার নয়। আপনি বেশি টাকার চাকরি করলেও বেকার থাকবেন না, তেমনি কম টাকার চাকরি করলেও বেকার থাকবেন না। নিজে থেকেই মানসিকভাবে একটা শক্তি পাবেন এই ভেবে যে, আপনি এখন আর বেকার নন।

৬. আপনার দুশ্চিন্তা দূর করতে সাহায্য করবে। হতাশা থেকে মুক্তি দেবে। কথায় আছে অলস মস্তিস্ক শয়তানের আড্ডাখানা। মূল লক্ষ্য স্থির রেখে কম বেতনের চাকরিটা করার পাশাপাশি সেই লক্ষে কাজ করে যাবেন, সফলতা আসবেই।

দেশের সবচেয়ে বড় চাকরির পোর্টাল বিডি জবসের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরু বলেন, চাকরির বাজারে তরুণদের দক্ষতা নিয়ে একটি প্রশ্ন উঠছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ দক্ষতা দেখিয়ে চাকরি পেলেও একটি বড় অংশ দরকারি নানা দক্ষতার অভাবে চাকরি পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে যেসব বায়োডাটা জমা পড়ছে, তাতে দেখা যাচ্ছে তরুণেরা প্রত্যাশিত বেতনের অংশে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে বসছেন। কিন্তু চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের হয়তো ওই পদের জন্য সে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ নেই। তখন চাকরিপ্রার্থী যত ভালো যোগ্যতাসম্পন্ন হোন না কেন, তার সিভি এড়িয়ে যান চাকরিদাতারা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এফএম/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত