ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯ আপডেট : ৭ মিনিট আগে

মানবদেহে বৃষ্টির পানির উপকারিতা

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২২, ১৩:৩৯

মানবদেহে বৃষ্টির পানির উপকারিতা
ছবি: সংগৃহীত
জার্নাল ডেস্ক

বৃষ্টিতে ভেজা নিয়ে বড়দের বকুনি শুনতে হয় অনেককেই। তবে ঝুম বৃষ্টিতে কিছুটা সময় ভিজতে ইচ্ছে করে সবারই। বর্ষা মানেই হাঁচি, কাশি, সর্দি, জ্বর। এটাই প্রচলিত ধারণা আমাদের। কিন্তু, বর্ষাই হয়ে উঠতে পারে রোগমুক্তির ঋতু।

অস্ট্রেলিয়ার একটি গবেষণা রিপোর্টের দাবি, বৃষ্টির পানি পান করা সবচেয়ে নিরাপদ। মাটি অথবা পাথরে থাকা মিনারেলস আর বর্জ্য, বৃষ্টির পানিতে থাকে না। সেকারণে বৃষ্টির পানি পানে অগাধ উপকারিতা দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

বৃষ্টির পানির উপকারিতা:

১. হজম শক্তি বাড়ায়: বৃষ্টির পানিতে থাকে অ্যালকালাইন pH যা অ্যাসিডিটি কমায়, হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যালকালাইন pH ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রুখে দেয়। ক্যান্সার রোগীদেরে ক্ষেত্রে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে বৃষ্টির পানি।

২.কানের সমস্যা দূর করে: বৃষ্টির পানির আরেকটি অন্যতম কার্যকারিতা হলো কানের সমস্যা দূর করা। কানের ব্যথা ও ইনফেকশন দূর করতে এই পানি উপকারী।

৩.রাসায়নিক মুক্ত পানি: ট্যাপের পানি জীবাণুমুক্ত করতে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়। আর ফ্লোরাইড আসে মাটির নিচ থেকে। বেশি মাত্রায় ক্লোরিন বা ফ্লোরাইড পেটে গেলে গ্যাসট্রাইটিস, মাথা ব্যথার মতো সমস্যা বাড়ে। বৃষ্টির পানিতে ফ্লোরাইড বা ক্লোরিন, কোনওটিই থাকে না।

৪.জ্বালা ও ব্যাকটেরিয়া নাশক: বৃষ্টির পানির কোষে জমে থাকা খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে সাফ করে দেয়। ত্বকের জ্বালাও দূর হয়।

৫. বৃষ্টির জলে সুন্দর চুল: বৃষ্টির পানিতে আছে প্রাকৃতিক অ্যালকাইন, যা মাথার ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা দূর করে। এতে চুলের গোড়া মজবুত হয়। তাই বৃষ্টির পানি ব্যবহারের ফলে চুলের রুক্ষতা কমে এবং অধিক উজ্জ্বল দেখায়। এ ছাড়া এই পানি খুশকিও দূর করে।

৬. ত্বকের জন্য উপকারী: বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুন্দর সুস্থ ত্বক পেতে হলে, বৃষ্টির পানি অত্যন্ত উপযোগী। সুগন্ধি সাবানে থাকে অ্যাসিডিক pH যা ত্বককে রুক্ষ ও প্রাণহীন করে দেয়। বৃষ্টির পানিতে সেসবের বালাই নেই।

এ ছাড়া বৃষ্টির সময় পরিবেশে যে ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে তাকে বলা হয় পেট্রিকোর। এটি মানুষকে আরও চনমনে করে তুলতে সহায়তা করে। বৃষ্টির অনেক উপকারিতা থাকলেও ১০ থেকে ১২ মিনিটের বেশি সময় বৃষ্টিতে ভেজা উচিত নয়। এতে ঠাণ্ডা, জ্বর লেগে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ জার্নাল/পিএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত