ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২৩ আশ্বিন ১৪২৯ আপডেট : ৭ মিনিট আগে

বায়ু শোধনে মানিপ্ল্যান্টের গুরুত্ব

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২২, ১৫:৩৬  
আপডেট :
 ১৩ আগস্ট ২০২২, ১৭:২৪

বায়ু শোধনে মানিপ্ল্যান্টের গুরুত্ব
ছবি: সংগৃহীত
জার্নাল ডেস্ক

আন্তর্জাতিক সংস্থা নাসা'র তথ্য অনুসারে ১০টি বায়ু শোধনকারী উদ্ভিদের মধ্যে মানিপ্ল্যান্ট অন্যতম। কারণ এটি বায়ুমণ্ডলে থাকা বিষাক্ত পদার্থ নষ্ট করে ফেলে। মানিপ্ল্যান্ট গুড লাক ট্রি, সিলভার ভাইন, ত্যারো ভাইন, হান্টারস রোব, সোলোমন আইল্যান্ড আইভি এবং ডেভিলস আইভি নামে পরিচিত।

কৃষকেরা মানিপ্ল্যান্ট উদ্ভিদ বায়ু পরিষ্কারক হিসেবে চাষ করেন। ব্যবসায়ে অত্যাধিক লাভের আশায় বাড়িতে, অফিসে, বিপণন কেন্দ্রগুলোতেও মানিপ্ল্যান্ট রাখা হয়। আপনি যদি এর সঠিক যত্ন সম্পর্কে জানেন তবে খুব সহজেই এর যত্ন নিতে পারবেন।

মানিপ্ল্যান্টের যত্ন:

১. বীজের জাত নির্বাচন: বীজ বপণ করার আগে খেয়াল রাখতে হবে বীজগুলো যেন ভেজা না হয়, পুরোপুরি শুকনো ও পরিষ্কার হতে হবে। পরিষ্কার করার জন্য উষ্ণ তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে। এরপর বীজ পট কিংবা কন্টেইনারে বপন করুন।

২. মাটি এবং পাত্র নির্বাচন: ঘরোয়া উপায়ে মানিপ্ল্যান্ট লাগাতে চাইলে ৬ ইঞ্চির একটি পট নিন। শুরুতে আপনি চাইলে মাটি, সিরামিক বা প্লাস্টিকের পট নিতে পারেন। পরবর্তীতে যখন গাছটি বড় হবে তখন বড় পট ব্যবহার করুন।

৩. জল দেয়ার নিয়ম: যখনি গাছের সামান্য উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে তখনি প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গাছে জল দিন। যখন গাছটি বড় হবে তখন প্রতি সপ্তাহে ২/৩ ইঞ্চি জল শোষণ করতে পারে। গাছ দ্রুত বৃদ্ধি হয় যদি আপনি ঘরের তাপমাত্রায় এটিকে রাখতে পারেন।

রোগ: পুষ্টিজনিত ঘাটতি-

১. পটাশিয়াম- পাতায় পোড়া ভাব, পাতার শিরার মাঝে হলুদ হয়ে যায়।

২. নাইট্রোজেন- পাতা বুড়িয়ে যায়, ফলিয়েজ হালকা সবুজ, হলুদ কান্ড।

৩. ম্যাগনেসিয়াম- ধীর গতিতে বৃদ্ধি হয়, হালকা হলুদ পাতা, পাতায় গাড় দাগ পড়ে।

৪. ফসফরাস- ছোট পাতা, লালাভ বেগুনি রঙের ছাপ, বয়স্ক পাতা কালো হয়ে যায়।

৫. ক্যালসিয়াম- অভাবে পাতা কুঁকড়ে হুকের মত হয়ে যায়।

৬. সালফার- ধীর গতিতে বৃদ্ধি, হালকা হলুদ রঙের পাতা।

মানিপ্ল্যান্টের পরিচর্যা:

বসন্ত ও গ্রীষ্মে প্রতি ২ সপ্তাহে একবার সার প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়াও তরল এনপিকে (NPK) সার, জৈব সার বা গোবর দিতে পারেন। তবে ডিমের খোসা, বেকিং সোডা এর বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারী। ২-৩ বছর পর পর পাত্র বদলাবেন। আগাছা ছেঁটে দিলে গাছ সুন্দর দেখাবে। গাছ শুকিয়ে গেলে গাছের গোড়ায় ভিজে খড়, পাতা দিতে পারেন। তবে অত্যাধিক গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখা যাবে না। বসন্ত কিংবা গ্রীষ্মে গাছকে পুনরায় পটিং করুন, কারণ এ সময়ে গাছ খুবই দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যেহেতু গাছ প্রতি বছর বড় হয় তাই আপনাকে প্রতি বছরই বড় পটে স্থানান্তর করতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/পিএম/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত