ঢাকা, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬ অাপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৯

প্রিন্ট

বাঙালিয়ানায় তালপাখা ও শীতলপাটি

বাঙালিয়ানায় তালপাখা ও শীতলপাটি
রিফাত পারভীন

বাতাসে এখন উষ্ণতার ছোঁয়া। আর তার সাথে আমের মুকুলের গন্ধই বলে দিচ্ছে বৈশাখ এসেছে। বৈশাখের এই গরমে স্বস্তির পরশ বুলাতে তালপাখা, বিভিন্ন নকশার হাতপাখা ও শীতলপাটির জুড়ি নেই। এছাড়াও ঘর সাজাতে নানা রঙের ও নকশার তালপাখা, হাতপাখা এবং শীতলপাটি আপনার বাঙালিয়ানাকে ফুটিয়ে তুলে ঘরে নিয়ে আসবে একটি দেশীয় আমেজ।

এককালে বৈশাখের অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল তালপাখা, হাতপাখা ও শীতলপাটি। তবে সময়ের পরিবর্তনে কারণে যান্ত্রিকতার এই যুগে এগুলোর চাহিদা কিছুটা কমেছে। তবে গরম এলেই ইটকাঠের এই শহরের অনেকেই এখনও একটু আরামের জন্য ও প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে ব্যবহার করেন তালপাখা, হাতপাখা আর শীতলপাটি। তার পাশাপাশি ঘরের সাজে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে ব্যবহার করা যায় এগুলো।

বৈশাখ মাস আসতে না আসতেই তালপাখা, হাতপাখা ও শীতলপাটি কেনার ধুম পরে যায়। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ঢাকার নিউমার্কেট, গাউসিয়া, এলিফেন্ট রোড, কাঁটাবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশিয় শোরুম গুলো তাদের সংগ্রহে রাখে নানা রঙের, ডিজাইনের ও আকারের তালপাখা, হাতপাখা ও শীতলপাটি।

এলিফেন্ট রোডের একটি দোকানে শীতলপাটি কিনতে আসা সুমনা হক বলেন, তীব্র গরমে শীতলপাটি অনেক আরামদায়ক। তাছাড়াও এখানে ঘর সাজানোর জন্য নানা ডিজাইনের শীতলপাটি রয়েছে।

ঘর সাজানোর জন্য যাত্রা, আরং, ও দেশি দশের শোরুমগুলোতে বাহারি ডিজাইনের তালপাখা, হাতপাখা ও শীতলপাটি রাখা হয়েছে। গরমকালে বসার ঘরে কার্পেটের বদলে রঙ্গিন শীতলপাটি ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও শোবার ঘরে ইদানিং কালে বিছানার চাদরের বদলে শীতলপাটি বিছিয়ে রাখা হয় এবং এর উপর পানি দিয়ে হাল্কা মুছে নিলে বেশ ঠাণ্ডা ও আরামদায়ক একটি আমেজ পাওয়া যাবে।

এছাড়াও দেয়ালে, দরজায় শোপিছ হিসেবে তালপাখা ও হাতপাখা সাজালে তা ঘর সাজানোয় অন্য মাত্রা যোগ করবে। বসার ঘরে বা শোবার ঘরে এগুলো ব্যবহারের পাশাপাশি খাবার টেবিলের ম্যাট হিসেবেও এখন শীতলপাটি বেশ চলছে। অনেকেই শীতলপাটি ছোট ছোট করে কেটে তা গ্লাসের নিচে বা ঢাকনা হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে সব ঘরে সব রঙের শীতলপাটি বা পাখা সাজানো যাবে না, তাই রঙ বিবেচনা করতে হবে বুঝে শুনে।

পাখা বা শীতলপাটি যদি বসার ঘরে ব্যবহার করতে হয় তবে পর্দা হতে হবে দেশিয় উপাদানের যেমন গ্রামীনচেক। সোফা যদি বেতের বা কাঠের হয় তবে তা হবে মানানসই। আবার হালকা রঙের পর্দা ও দেয়ালে গাড় রঙের পাখা ও শীতলপাটি বেশ মানাবে। তাই দেশিয় সংস্কৃতির ছোঁয়া পাওয়া যায় এমন অনুষঙ্গই নির্বাচন করতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরএ/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close