ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ২০:৫৩

প্রিন্ট

সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দিব কোথা

সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দিব কোথা
নজরুল ইসলাম

আমার লিখা একটি আটিকেলের শিরোনাম ছিল ‘দেশপ্রেমিক , দুর্নীতিবাজ শব্দ দুটো কি সাংঘর্ষিক নয়?’

ইয়েস, শব্দ দুটি সাংঘর্ষিক ! আপনি দেশপ্রেমিক হলে দুর্নীতিবাজ হবার কথা না, দুর্নীতিবাজ হলে আপনি দেশপ্রেমিক না। মুখের বুলিতে আমরা নিজেদের দেশপ্রেমিক প্রমাণের চেষ্টা করলেও বাস্তবে দেশপ্রেমে আমাদের চরম অধঃপতন।

গেল কয়েক দিন থেকে ভাবছিলাম বাংলাদেশের সমসাময়িক ঘটনা-রটনা নিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করব। কিন্তু সাহস করে শুরু করতে পারছিলাম না সংগত কারণে। কোথা থেকে শুরু করব আর কোথায় শেষ করব, কি নিয়ে আলোচনা করব আর কি নিয়ে করব না? সামগ্রিক অবস্থা অনেকেটা বাংলা গানের সেই লিরিক্সের মত- ‘নদীর কুল নাই কিনার নাই’, দেশে অন্যায় অনিয়ম স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি দুর্বৃত্তায়ন কুল কিনারাহীন।

প্রবাদ আছে, ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দিব কোথা’। পাঠক, এই দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি দুর্বৃত্তায়ন infection disease মত ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে বৈধ না, সম্পূর্ণ অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা ঢাকা শহরে কিভাবে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য পরিচালিত করছিল তা প্রশ্নবোধক? একটি সংঘবদ্ধ চক্র এর সাথে সম্পৃক্ত কি না তা উদঘাটনের জন্য তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজন আছে কি? এই দেশে বড় বড় পুকুর চুরি সংঘটিত হয় প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তি রাজনীতিবিদদের ভৌতিক শক্তি ও এর ছত্রছায়ায়।

গেল সপ্তাহে দেশের পুকুর ডাকাতদের ডাকাতির গল্প শুনে মনে হয়েছে এ যেন রূপকথার গল্প। ১৮০ কোটি টাকা বাসায় ক্যাশ! চেক বন্ড সহ ২০০ কোটির উপর বাসা থেকে উদ্ধার ! ব্যারিস্টার মইনুল ইসলাম কথায় কথায় বলেন, ‘জানেন কি?’ জেল হাজতে এখন বলেন কি না জানি না। আমারও বলতে ইচ্ছে করছে, ‘জানেন কি?’ আমরা নিজেদের শিক্ষিত ও সভ্য মানুষ হিসেবে দাবি করলেও প্রকৃত অর্থেই আমরা মানবিকতা নৈতিকতাবোধ ও মনুষ্যত্ববোধ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। র‍্যাব পুলিশ জি কে শামিমকে যখন অ্যারেস্ট করেছিল, শামিমকে বলতে শুনেছি -আমি সম্মানি মানুয, আমাকে বেইজ্জত করবেন না! চোর ডাকাতেরও ইজ্জত আছে? আজকাল বিনোদনের জন্য মানুয কেন সিনেমা দেখতে যায় না তা বোধগম্য।

পাঠক, এই দেশে নাম বিক্রি ,মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ট্যাবলেট বিক্রি, স্যারের নির্দেশ ,ম্যাডামের আদেশ, আত্মীয়করণ ও বাণিজ্যকরণ বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমে পরিবারের সংজ্ঞা দিয়েছেন, পরিস্কার করেছেন পরিবার বলতে কি বুঝায়? আবারো পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যদের। যাতে করে ব্যক্তি স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের নাম কেউ ব্যবহার করতে না পারে। কথা দিয়েছেন দেশে চলমান মাদক সন্ত্রাস দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বলেছেন, সে যেই হোক, যদি আত্মীয়ও হয় তাকে ছাড় দেয়া হবে না। বলেছেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং অর্জনসমূহ সমুন্নত রাখতে সরকার দুর্নীতি বিরোধী লড়াই অব্যাহত রাখবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদিও কোনো দেশের পক্ষেই শতভাগ দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব নয়, তবে আমাদের সরকারের একটা দায়িত্ব হলো এই দুর্নীতি প্রতিরোধ করা, যাতে এটি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে এবং আমাদের সকল সাফল্য ম্লান করে না দেয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলে লেখা লম্বা হবে, জাতীর স্বার্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক মানবিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রেখে যাওয়ার জন্যই তার এই সংগ্রাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আপনি দৃঢ়চেতা, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বাঙালি জাতির স্বপ্নপূরণে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপনার দ্বারা চলমান জিহাদ অব্যাহত থাকবে জাতি সেটাই আসা করে। আপনার সুস্বাস্থ দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

দুনীতির বিরুদ্ধে অভিযান কোন ব্যক্তি গোষ্ঠী দল বা বিশিষ্টজনের বিরুদ্ধে না, এই অভিযান দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এহেন সিদ্ধান্তে বিএনপি বিষম খুশি। দেখেন অন্যের বিপদে আপদে হাসতে নেই, বিপদ বলে আসে না ! অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সৈনিকদের দ্বারা সম্পাদিত দুর্নীতির বিরোদ্ধে কোন একশন গ্রহণের পরিকল্পনা সরকারের আছে কি?

চোরে-চোরে মাসতুতো ভাই। অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা টেন্ডারবাজি ও ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি দুর্বৃত্তায়ন এড়িয়ে যাওয়ার বিযয় না। জি কে শামীমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, টেন্ডার ,কমিশন বাণিজ্য, মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধান ও সাম্প্রতিক অভিযানে জি কে শামীমের সাথে সংশ্লিস্ট যাদের নাম এসেছে তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তি করত: দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত should be in a priority list, যা করতে পারলেই সকলের জন্য উদাহরণ হয়। ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে আসা অন্তত ৪৫ জনের একটি নামের তালিকাও করা হয়েছে। ওই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংসহ দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অভিযাগ অনুসন্ধান- should be in priority list & this is something we can not ignore.

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ দুদকসহ দেশের প্রচলিত আইনে অপরাধ। যারা বিভিন্নভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জন, টেন্ডার দখল ও কমিশন বাণিজ্য করেছেন বা জড়িত let them face justice।

জি কে শামীমের কাছ থেকে কমিশন নিয়ে তাকে সব টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার কারিগর গণপূর্তের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান উৎস খুজে বের করা সময়ের দাবি।

পাঠক, ‘উৎকোচ’ শব্দটির উদ্ভব মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে। ইহার সহজ অর্থ হইল ঘুষ। অবৈধ সহায়তার জন্য প্রদত্ত গোপন পারিতোষিক। এই আধুনিক জামানায় ঘুষ আর কোনো গোপন বিষয় নহে ইহাকে বলা হয় ওপেন সিক্রেট। ঘুষ এখন একটি অপরিহার্য বস্তুতে পরিণত হইয়াছে। সরকারি বেসরকারি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না ,ফাইল নড়ে না। ঘুষ যিনি দেন এবং ঘুষ যিনি নেন- উভয়েই কোনো না কোনোভাবে উপকৃত হন। তবে এই সংস্কৃতি দ্বারা চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশ ও সমাজ। ঘুষ একটি সামাজিক ব্যাধির নাম। কোনো না কোনো সেবা পাইতে অফিস-আদালত, ব্যবসা- বাণিজ্যসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের ঘুষ দিতে হয়। চাকরিতে ঘুষের রেট কত তাহা আজ অনেকের মুখস্থ। একজন পিয়ন বা ঝাড়ুদার নিয়োগেও কয়েক লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়। পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি অফিসে শুধু নিয়োগই নহে, বদলি, পদোন্নতি প্রভৃতি ক্ষেত্রেও দিতে হয় ঘুষ। ঘুষ দেওয়াটাই যেন আজ নিয়ম এবং না দেওয়াটাই অনিয়ম।

পাঠক, লোভ মানুষের মূল্যবোধ তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়। অভাবে স্বভাব নষ্ট কথাটি সর্বাংশে সত্য নয়। তৃণমূল জনগণের ক্ষেত্রে কথাটি কোনো কোনো সময় হয়তো সত্য। মূলত সমাজের চাকরিজীবী, বিত্তশালী, শিক্ষিত ব্লাডি জেন্টলম্যানরা বেশি দুর্নীতিপরায়ণ। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে কৃষক ভূমিকা রাখে সে কিন্তু দুর্নীতি করে না। সে জমিতে চাষ করে দিন দিন উৎপাদন বাড়িয়ে চলছে। কিন্তু দুর্নীতির বোঝা তাকে টানতে হয়। কাজেই যে-ই দুর্নীতি করুক না কেন এটি সামগ্রিক কাঠামোতে পড়ে। একজনের দুর্নীতির বোঝা সবাইকে ভোগ করতে হয়। র্নীতিরোধে আমাদের যেসব আইন ও অবকাঠামো রয়েছে তার সংস্কার করা একান্ত প্রয়োজন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য এই সব অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনি প্রক্রিয়ায় নিয়ে এসে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারলেই সংশ্লিষ্টদের ভাবিয়ে তুলবে। সম্প্রতি সারা দেশে টেন্ডার ও চাঁদাবাজি এবং ক্যাসিনোবিরোধী মোট ৩৩টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর যুবলীগের দুই নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন, অনলাইন ক্যাসিনোর গডফাদার সেলিম প্রধানসহ ২২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ২০১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

দেশের মানুয অনলাইনেও ক্যাসিনো খেলে, মাঝে মধ্যে মনে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করি, প্রধানমন্ত্রী আপনি কেন এত স্বল্প সময়ে দেশটিকে ডিজিটাল করলেন? আমরা লন্ডনে বসবাস করি, ক্যাসিনো-জুয়া-মদ আমাদের আশে পাশেই, আমরা যখন ক্যাসিনোর পাশ দিয়ে যাই দোয়া পড়ি-লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম। ইসলামিক দেশ, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি, আজান শুনি, কেন আমাদের এত অধ:পতন?

অপ্রিয় হইলেও সত্য যে, বিশৃঙ্খলা আজ সমাজের সর্বাঙ্গেই ছড়াইয়া পড়িয়াছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিরাজমান বিশৃঙ্খলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের বৃথা চেষ্টা চালাইয়া থাকি, কিন্তু বাস্তবতা হইল সর্বোচ্চ পর্যায় হইতে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার লাগাম শক্ত হাতে টানিয়া ধরিতে না পারিলে পরিস্থিতির যে আরো অবনতি ঘটিবে তাহাই নহে, বরং উন্নয়নের মহাসড়কে আমাদের যে প্রত্যয়ী পদযাত্রা তাহাও বাধাগ্রস্ত হইতে। তাই এখনই সময় নির্মোহভাবে সর্বপ্রকার বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার। দুর্নীতিপরায়ণ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাধারণ মানুষের চরিত্র নষ্ট করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ থেকে উত্তরণে প্রয়োজন সরকারের আপসহীন নীতি, দুর্নীতি নির্মূল করতে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি অপরিহার্য, সেটি হচ্ছে একজন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রপ্রধান পর্যন্ত প্রত্যেকের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বদেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া, যাতে তারা প্রত্যেকে নিজ থেকে জাতির বৃহত্তর স্বার্থ পূরণের ক্ষেত্রে নিজের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যক্তিগত স্বার্থগুলোকে জলাঞ্জলি দিতে দ্বিধাবোধ না থাকে।

শুরুতেই বলেছি, কি নিয়ে আলোচনা করব আর কি নিয়ে করব না। সমাজে অন্যায় অনিয়মের ছয়লাব। পাঠক, In order আলোচনা করতে পারছি না তাই ক্ষমা প্রার্থী। অর্থই অনর্থের মূল, অর্থ-সম্পদের লোভে আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছি। বিবেকবান আলোকিত মনের মানুষ না হতে পারলে দুর্নীতিসহ যেসব অপরাধ সমাজে বিরাজ করছে তা থেকে উত্তরণ কঠিন। দুর্নীতির ধূম্রজালে পড়ে একটি দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়া যেখানে ব্যাহত হচ্ছে সেখানে দুর্নীতি করে রাষ্ট্রীয় টাকা আত্মসাৎরোধে সুদরপ্রসারী পরিকল্পনা, আইন প্রনয়ন, বাস্তবায়ন প্রয়োগ & brought corrupt people into justice, set an example for those who dreaming to get into corruption.

সমাজের অসঙ্গতি, অপরাধ, লুণ্ঠন, অপরাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যহার, মানবতার বিপর্যয়,ঘুষ, সুদ ইত্যাদি সামাজিক ও জাতীয় অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে গানের কথা মালা মানুযকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলতে সহায়ক। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সমাজের হালচাল নিয়ে অর্জুন বিশ্বাসের বিশেষ গান -‘সাবধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সাবধান শেখ হাসিনা আপনার দলের কিছু কিছু নেতার মতিগতি বুঝতে পারি না। আপনি ওদের মধ্যমণি আপনি ভালো বুঝুন, ওরা বঙ্গবন্ধুর লোক কিনা, আগে তা ভালোভাবে খুঁজুন।’

গানের লিরিক্স বড়ই অর্থবহ ,উপলব্ধির বিষয়। পাঠক, বয়ান শেষ করতে হবে, ইতিমধ্যে আপনাদের বিরক্তির কারণ হয়েছি। সরকারের যথাযথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের refreshment দরকার, the cabinet must understand প্রধানমন্ত্রী কি চাচ্ছেন! time is up ! দুর্নীতি দমন কমিশনের বিযয়গুলো খতিয়ে দেখা উচিত। দোষীদের আইনি প্রক্রিয়ায় নিয়ে এসে নিজেদের স্বজনপ্রীতির উর্ধ্বে রেখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলেই সকলের জন্য উদাহরণ হয়।

লেখক: ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, ওয়ার্কিং ফর ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস লন্ডন। মেম্বার, দি ন্যাশনাল অটিস্টিক সোসাইটি ইউনাটেড কিংডম।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত