ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ আপডেট : ৪০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:১০

প্রিন্ট

ব্লগার নাজিম উদ্দিন খুন: পাঁচ আসামিকে খুঁজছে পুলিশ

ব্লগার নাজিম উদ্দিন খুন: পাঁচ আসামিকে খুঁজছে পুলিশ
সুশান্ত সাহা

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র ব্লগার নাজিম উদ্দিন সামাদ হত্যা মামলার পলাতক ৫ আসামি এখনো ধরা পড়েনি।

এদিকে গত ১৮ আগস্ট এ মামলার চার্জশিট দিয়েছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়।

নাজিম উদ্দিন সামাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন শাখার ছাত্র ছিলেন। ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে গেন্ডারিয়ার মেসে ফেরার পথে লক্ষ্মীবাজারের একরামপুর মোড়ে পাঁচ-ছয়জন দুর্বৃত্ত চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে এবং গুলি করে তাকে হত্যা করে।

হত্যার পর তারা দুটি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় সূত্রাপুর থানায় মামলা হয়। পরে মামলাটি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য হওয়ায় মামলাটির অভিযোগপত্র সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দাখিল করা হয়েছে।

এই মামলায় ৯ আসামির মধ্যে ৪ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। তারা হলেন, রশিদুন নবী ভূইয়া (২৬), মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (২৫), আরাফাত রহমান (২৪) ও শেখ আবদুল্লাহ (২৭)।

তারা বলেছেন, অনলাইনে লেখালেখির কারণে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পলাতক পাঁচ আসামি হলেন, সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (চাকরিচ্যুত), মো. ওয়ালি উল্লাহ ওরফে ওলি, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে কনিক, মওলানা জুনেদ আহম্মেদ ওরফে জুনায়েদ এবং আকরাম হোসেন।

সিটিটিসি সূত্র জানায়, নাজিম উদ্দিন সামাদকে হত্যার আগে তিন মাস ধরে পরিকল্পনা করে আনসার আল ইসলাম। নাজিমউদ্দীন মেসে থাকতেন। তাই তাকে বাসায় গিয়ে খুন করা সম্ভব নয় বলে যাওয়া-আসার পথে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৬ এপ্রিল রাতে পাঁচজন মিলে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আসামি মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মনের নেতৃত্বে একটি টিম নাজিম উদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার অবস্থান রেকি করে। শেখ আব্দুল্লাহ এ হত্যার ভিডিও ধারণের জন্য এবং হত্যাকারীদের হত্যাকাণ্ড সংঘটেনর পর পালাতে সহযোগিতার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে। হত্যাকাণ্ডের পর মেসেজ দিয়ে মেজর জিয়াকে (চাকুরিচ্যুত মেজর) বিষয়টি জানানো হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসএস/আরকে

আরো পড়ুন : ব্লগার নাজিমুদ্দিন হত্যা: ৪ বছর পর অভিযোগপত্র

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত