ঢাকা, শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : ২৬ মিনিট আগে

‘নান্দনিক নন্দিনী’র মেঘনা

  আলফি শাহরীন

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২২, ১৩:২৭  
আপডেট :
 ১৬ মে ২০২২, ১৫:১৬

‘নান্দনিক নন্দিনী’র মেঘনা
নারী উদ্যোক্তা মোস্তারী হোসেন মেঘনা। ছবি- প্রতিনিধি
আলফি শাহরীন

নারী উড়তে চায় মুক্ত আকাশে। তবে ডানা নিয়ে দাবি নেই তাদের। প্রবল ইচ্ছা শক্তি আর আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে নারী এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে।

তেমনই এক আত্মবিশ্বাসী নারী উদ্যোক্তা মেঘনার সাথে কথা হয় বাংলাদেশ জার্নালের। চলুন তার মুখেই শুনে নেই তার এগিয়ে চলার গল্প।

‘নাম মোস্তারী হোসেন মেঘনা। সাভার সরকারি কলেজ থেকে ইংরেজি বিভাগে অনার্স করছি, ৪র্থ বর্ষে। জন্ম, বেড়ে উঠা সব সাভারেই। পড়াশোনার পাশাপাশি আমি টিউশনি করাচ্ছি এবং সাথে আমার পেজ ‘নান্দনিক নন্দিনী-Nandonik Nandini’ নিয়ে কাজ করছি। আমি একজন ছোট উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বা ইচ্ছা কোনোটাই শুরুতে ছিলনা।যখন অনার্স ১ম বর্ষে ছিলাম তখন হঠাৎ করে আসলে মাথায় আসে কিছু একটা নিয়ে কাজ করে নিজেকে সেল্ফ ইন্ডিপেন্ডেন্ট করার। এই বিষয়ে কোন ধারণা না থাকায় তখন আর সাহস করে আগানো হয়নি তবে নিত্য নতুন চিন্তা-ভাবনা চলতে থাকে। কিন্তু ২০১৯ এর শুরুর দিকে কাকতালীয়ভাবে আমারই এক বান্ধবি ইসরাত আফরিন খুশি আমাকে প্রস্তাব দেয় কাঠের গহনা নিয়ে বিজনেস করার। তখন আমি আসলে আবারও নতুন করে সাহস পাই।

আমরা তখন কাঠের গহনা নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করি। এখন মূলত কাঠের গহনার সাথে সাথে হ্যান্ডিক্রাফটস এবং এন্টিক জুয়েলারি নিয়ে কাজ করছি। তবে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি কাঠের গহনার উপর যা রুচিশীল, নান্দনিক এবং দেশীয় ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলে।

মূলত প্রথম অনুপ্রেরণা পাই বাবা-মায়ের কাছ থেকেই। তারপর আমার অনুপ্রেরণা আর সহযোদ্ধা দুটো হিসেবেই কাজ করেছে খুশি। আমরা দুজনেই সমান ভাবে পরিশ্রম দিচ্ছি। একজন আরেকজনের অনুপ্রেরণা এবং সাথে সমালোচকও। বন্ধু-বান্ধুবি সবার থেকেই প্রচুর অনুপ্রেরণা পেয়েছি এবং পাচ্ছিও প্রতিনিয়ত।

বাধা বলতে শুরুর দিকে তেমন কোন বাধা পাইনি দুজনের কেউই। পারিবারিক সাপোর্ট সবসময়ই আছে। তবে যেটা এখন বাধার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেটা হচ্ছে সময়। যেহেতু ইংরেজি তে পড়াশোনা করছি সবদিকেই ব্যালেন্স করে চলতে হচ্ছে। ঠিকমতো সময় না দিলে লক্ষ্যে পৌঁছানো কষ্টের।

একটু সময় নিচ্ছি বিজনেসটাকে আরো ভালোভাবে ডেভেলপ করার, নতুন নতুন ডিজাইনের গহনা নিয়ে আসার, বিজনেস এর মাধ্যমে নিজের দেশের ঐতিহ্যকে রিপ্রেজেন্ট করার।আশা করি সময় নিয়ে হলেও লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব,ইনশাআল্লাহ।’

বাংলাদেশ জার্নাল/এএস/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত