ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:০৫

প্রিন্ট

আমি জয়ী হলে পদ বাণিজ্য থাকবে না: খোকন

আমি জয়ী হলে পদ বাণিজ্য থাকবে না: খোকন
কিরণ সেখ

মো. ফজলুর রহমান খোকন। তিনি সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সহ সম্পাদক ছিলেন। খোকন এবার ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে সভাপতি প্রার্থী। তাই তিনি ভোটের জন্য ছুটছেন সারাদেশের কাউন্সিলরদের কাছে। তার সাথে যখন বাংলাদেশ জার্নালের কথা হয় তখন ফেনী প্রচারণা শেষ করে চট্রগ্রামের পথে প্রচারণায় ছুটছেন মো. ফজলুর রহমান খোকন।

মো. ফজলুর রহমান খোকন ২০০০ সালে এসএসসি পাশ করার পর থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। পরে এইচএসসি পাশ করে ২০০৩-০৪ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ক্যাম্পাসে রাজনীতি শুরু করেন তিনি।

ওই সময়ই ঢাবির জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন খোকন। বর্তমান খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাস্টার্স ইন জাপানিজ স্টাডিজ’ মাস্টার্স করছেন।

সভাপতি পদে জয়ী হওয়া প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। মো. ফজলুর রহমান খোকন বলেন, আমি আশাবাদী জয়ী হবো, ইনশাল্লাহ। আর আমি জয়ী হলে সম্মিলিতভাবে সবাইকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবো এবং নেত্রীর (বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া) মুক্তির আন্দোলনে রাজপথের আন্দোলনে নামবো।

ছাত্রদল নিয়ে তার ভাবনার কথা উল্লেখ করে খোকন বলেন, আমি নির্বাচিত হলে জেলা থেকে শুরু করে থানা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন করবো। আর এটা হলে পদ বাণিজ্য বলতে কিছু থাকবে না।

ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী বলেন, কাউন্সিল বিষয়টি পজেটিভ। কারণ এজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে আমাদের একটি যোগাযোগ ও সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। আর এই মাধ্যমে আমরা তাদের সমস্যাগুলো জানতে পারছি এবং তারা আমাদের সমস্যাগুলো জানতে পারছে। এছাড়া ছাত্রদলের একটি সিন্ডিকেট ছিল। কিন্তু কাউন্সিল হলে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হবে। সুতরাং এখানে সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২৭ বছর পর প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল শীর্ষ নেতৃত্ব বেছে নেবে। সর্বশেষ ১৯৯২ সালে ছাত্রদলের পঞ্চম কাউন্সিলে সরাসরি ভোটে বিএনপির বর্তমান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও গুম হওয়া সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৯ সালে ভোট হচ্ছে। এই ভোটে এবার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশের ১১৭টি ইউনিটের ৫৮০ জন্য ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নতুন নেতা নির্বাচন করবেন।

সভাপতি পদে লড়ছেন, কাজী রওনকুল ইসলাম, মো. ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ মামুন বিল্লাহ (ওরফে মামুন খান), মাহমুদুল হাসান, হাফিজুর রহমান, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা, মো. এরশাদ খান, এস এম সাজিদ হাসান ও এ বি এম মাহমুদ আলম সরদার।

সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন, মো. জুয়েল হাওলাদার, মো. জাকিরুল ইসলাম, মো. কারিমুল হাই, মাজেদুল ইসলাম, ডালিয়া রহমান, মো. আমিনুর রহমান, শেখ আবু তাহের, শাহ নাওয়াজ, সাদিকুর রহমান, কে এম সাখাওয়াত হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, মো. ইকবাল হোসেন, মো. হাসান, মুন্সি আনিসুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, শেখ মো. মশিউর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা ও কাজী মাজহারুল ইসলাম। বাংলাদেশ জার্নাল/কেএস/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত