ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

মাদকের টাকার বিনিময়ে সদস্যদের ডাকাতি করাতো জাকির

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২২, ১৫:৪৬

মাদকের টাকার বিনিময়ে সদস্যদের ডাকাতি করাতো জাকির
ছবি- প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডাকাতদের পৃষ্ঠপোষক জাকির হোসেনসহ চারজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগ।

পুলিশ বলছে, জাকির হোসেন ডাকাতদের লালন-পালনকারী। তার নির্দেশেই অন্যরা ডাকাতি করে থাকে। ডাকাতির পর সকল অর্থ ও মালামাল জাকির নিয়ে নেয়। বিনিময়ে সে তাদের পরিবারের দেখা-শুনা ও মাদকের টাকা সরবরাহ করে থাকে।

গ্রেপ্তার অন্য তিনজন ডাকাত হলো- মো. সবুজ, মো. ওমর ও মো. ওসমান গনি স্বপন।

সোমবার (২০ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় গাজীপুরের টঙ্গী নোয়াগাঁও এলাকার তিস্তা গেইটের আনোয়ার সিলিং এবং পপুলার ওষুধ ফ্যাক্টরির সামনে জাকিরের ভাঙ্গারির দোকানে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া ১টি স্বর্ণের চেইন, নগদ ১৪ হাজার টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১ ‍টি লোহার তৈরি চাপাতি, ২টি সেলাই রেঞ্জ, ১ টি স্ক্রু ড্রাইভার ও ১ ‍টি চাকু উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি বলেন, গত ৫ এপ্রিল গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরখানের ভাটুলিয়া এলাকার একটি বাসায় পাঁচজন ডাকাত গ্রিল কেটে ঢুকে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের ভয়ে জিম্মি করে নগদ তিন লাখ টাকা, স্বর্ণালংকাসহ মোট আট লাখ টাকার বেশি মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরের দিন বাসার মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে ডিএমপির উত্তরখান থানায় একটি ডাকাতির মামলা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব ডিবি উত্তরা বিভাগের বিমান বন্দর জোনাল টিমকে দেয়া হলে ডাকাতির ঘটনা ও আশপাশের চিত্র নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করে তারা।

হাফিজ আক্তার বলেন, ডাকাতির এ ঘটনায় ডাকাতরা কোন প্রযুক্তিগত ডিভাইস ব্যবহার না করায় ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে প্রথম থেকে অনেকটা বেগ পেতে হয়। কিন্তু গোয়েন্দা তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এক পর্যায়ে ডাকাতির ঘটনার সাথে একটি গ্রুপকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে সোমবার টঙ্গী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারদের মধ্যে জাকির হোসেন ডাকাতদের লালন-পালনকারী। তার নির্দেশেই অন্যরা ডাকাতি করে থাকে। ডাকাতির পর সকল অর্থ ও মালামাল জাকির নিয়ে নেয়। বিনিময়ে সে তাদের পরিবারের দেখা-শুনা ও মাদকের টাকা সরবরাহ করে থাকে।

গ্রেপ্তাররা এর আগেও অসংখ্য ডাকাতি ও চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে বলেও জানান গোয়েন্দা প্রধান।

বাংলাদেশ জার্নাল/এফজেড/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত