ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ২ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১৬:১০

প্রিন্ট

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিদের নগদ অর্থ দেয়ার দাবি বিএনপির

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিদের নগদ অর্থ দেয়ার দাবি বিএনপির
ছবি প্রতীকী

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলমান কঠোর বিধিনিষেধে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নগদ আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এর আগে শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বলা হয়, অবিলম্বে টিকা আমদানি, বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বেড, অক্সিজেন সরবরাহ, আইসিইউ, ভেন্টিলেটর এর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং করোনা কালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিকট নগদ অর্থিক সহায়তা প্রদান ও অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতিতে জড়িত চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানানো হয়।

করোনা কালে মানুষের জীবন ও জীবিকার নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারের পদত্যাগও দাবি করা হয় বৈঠকে।

বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বলেন, করোনার টিকা সংগ্রহ ও আমদানিতে বেসরকারি ব্যবসায়ীকে সম্পৃক্ত করার কারণে এবং সুপরিকল্পিত কোনোও কৌশল না থাকার কারণে আজ টিকা প্রাপ্তিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন যে, ৩ কোটি টাকার জন্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটকে বেসরকারি আমদানিকারকের মাধ্যমে আগাম মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে। অথচ সংবাদ মাধ্যমে বলা হচ্ছে- ভারত টিকা রপ্তানি বন্ধ করাতে বাংলাদেশের মূল্য পরিশোধিত টিকার প্রাপ্তি এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। প্রথম ডোজ টিকা যারা নিয়েছেন দ্বিতীয় ডোজ টিকা তারা পাবেন কি না সে ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোন সুস্পষ্ট বক্তব্যও পাওয়া যাচ্ছে না।

‘১৮ কোটি মানুষকে টিকা প্রদানের কোনও পরিকল্পনাও জনগণের কাছে কখনই স্পষ্ট করে বলা হয়নি। শুধুমাত্র চিহ্নিত ব্যবসায়ীকে আমদানি দায়িত্ব দিয়ে একটি মাত্র উৎস থেকে টিকা আমদানির সিদ্ধান্ত দুর্নীতির কারণে করা হয়েছে’ বলেও জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।’

বৈঠকে বলা হয়, করোনা সংক্রমণের বিষয়ে বৈঠক মনে করে, এই অনির্বাচিত সরকারের সীমাহীন অবহেলা, অযোগ্যতা, ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দুর্নীতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সময়াচিত পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

বৈঠকে আরো বলা হয়, বিশেষজ্ঞবৃন্দ এবং সরকারের গঠন করা জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শকে উপেক্ষা করে লকডাউন ঘোষণা বিলম্ব করা, লকডাউন ঘোষণা করার পরেও কার্যকর করতে না পারা, অন্যদিকে হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত বেড, আইসিইউ, অক্সিজেন সরবরাহ ও ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা না করার কারণে সংক্রমিত রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে এবং মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএস/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত