ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ১ মিনিট আগে
শিরোনাম

সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার জবাব দিতে হবে: ফখরুল

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:২৮

সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার জবাব দিতে হবে: ফখরুল
ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের পতন ঘটিয়ে যুবদল নেতা শাওন হত্যার জবাব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শহীদুল ইসলাম শাওনের জানাজার আগে বিএনপি মহাসচিব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে এই ফ্যাসিবাদী কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওনের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেবো। গণতন্ত্রের জন্য শাওন প্রাণ দিয়েছে, মানুষের অধিকারের জন্য প্রাণ দিয়েছে, ভোটাধিকারের জন্য প্রাণ দিয়েছে। এই কর্তৃত্ববাদী, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করলেই শাওনের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা নিবেদন হবে।

আসুন আমরা এখন সবাই তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করবো আল্লাহ যেনো তাকে বেহেশত নসিব করেন’ এই দোয়া করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিকাল ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে শাওন ভুঁইয়ার কফিন নয়া পল্টনে নিয়ে আসা হয়। দলের পক্ষ থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দলীয় পতাকা দিয়ে ঢাকা তার কফিনে পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

নামাজে জানাজায় বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, রুহুল কবির রিজভী, আসাদুজ্জামান রিপন, ফজলুল হক মিলন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুব দলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোনায়েম সরকারসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেয়।

জানাজা শেষে শাওনকে দাফন করতে মুন্সিগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। শাওনের কফিন নয়া পল্টনের সড়কে নেতা-কর্মীরা মিছিল করে এগিয়ে দেয়। পরে কর্মীরা মশাল মিছিল বের করেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮.৫০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওনের মৃত্যু হয়। এর আগে গত বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মুক্তারপুরে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় ৮টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে পুলিশের এএসপি, সদর থানার ওসিসহ ১০ পুলিশ সদস্য আহত হন। অন্যদিকে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হন শাওন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এএইচ/রাজু

  • সর্বশেষ
  • পঠিত