ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ৭ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ১৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:৩৯

প্রিন্ট

অনিয়মের প্রমাণ দিতে পারেনি বিএনপি

অনিয়মের প্রমাণ দিতে পারেনি বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার চতুর্থবারের মতো দেশ পরিচালনার ম্যান্ডেট পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে যারা পরাজিত হয় তারা সবসময় পরাজয় স্বীকার না করে নির্বাচন বয়কট করে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।

নির্বাচনে অনিয়ম তুলে ধরতে সারাদেশে ধানের শীষের প্রার্থীদের চিঠি দিয়েছে বিএনপি। গত ৩ জানুয়ারি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেওয়া হয় ধানের শীষের প্রার্থীদের। এতে প্রার্থীদের আটটি বিষয়ে ‘অনিয়মের’ তথ্য সংগ্রহ করে এক সপ্তাহের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে অধিকাংশ প্রার্থী অনিয়মের তথ্য তুলে ধরলেও ব্যতিক্রম ছিলো রাজশাহী। ভোটে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রে পাঠাতে রাজশাহীর পাঁচ নেতাকে চিঠি দিলেও তারা তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গত ৩ জানুয়ারি চিঠি দিয়ে ১০ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল কেন্দ্রের পক্ষ থেকে।

রাজশাহী বিএনপির নেতারা জানান, তথ্য পেতে তারা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। নির্বাচনে ‘অনিয়মের’ তথ্য সংগ্রহের পর প্রার্থীরা তা প্রতিবেদন আকারে দলের কেন্দ্রে জমা দেবেন।

নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারার বিষয়ে রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী শফিকুল হক মিলন জানান, আমাদের যারা পোলিং এজেন্ট ছিলেন, তারা এলাকায় ফিরতে পারছেন না ভয়ে। সে জন্য যোগাযোগ কম হচ্ছে। আমরা পোলিং এজেন্ট, সাংবাদিক, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সব জানার চেষ্টা করছি। শিগগির সব পাঠিয়ে দেব।

এবার রাজশাহীর ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিএনপির প্রার্থীরা। রাজশাহী-১ আসনে আমিনুল হক, রাজশাহী-২ আসনে মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনে শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনে আবু হেনা ও রাজশাহী-৫ আসনে নজরুল ইসলাম ম-ল হেরেছেন। রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী ছিল না।

এই পাঁচটি আসনের মধ্যে একটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও চারটিতেই ভোটের ব্যবধান ছিল বিপুল। এর মধ্যে আমিনুল হক ৮৫ হাজার ৩৮১, মিজানুর রহমান মিনু ১২ হাজার ১৪৬, শফিকুল হক মিলন এক লাখ ৩০ হাজার ৫৮২, আবু হেনা এক লাখ ৭৬ হাজার ২৫৫ ও নজরুল ইসলাম এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close