ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ৫৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:০৪

প্রিন্ট

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব
ধর্ম ডেস্ক

আল্লাহ তায়ালা বান্দার জন্য প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করে দিয়েছেন। নির্ধারিত এ নামাজ মসজিদে গিয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে আদায় করার ব্যাপারে সুনানে হুদা নির্ধারণ করেছেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও জামাতে নামাজ আদায়ে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন। মসজিদে ইমামের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায়ের মধ্যে রয়েছে মানুষের জন্য কল্যাণ হিকমত এবং বিশ্বনবীর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতের বাস্তবায়ন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার জীবনে কখনো জামাত ব্যতীত নামাজ আদায় করেননি। যারা আজান শোনার পর জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করে না তারা দুনিয়ার কল্যাণ ও হিকমত এবং বিশ্বনবীর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত পালন থেকে বঞ্চিত হয়। অথচ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাতে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন।

২৭ গুণ বেশি সওয়াব : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জামাতে নামাজের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি।’ (সহিহ বুখারি)। রাসুলুল্লাহ (সা.) সারা জীবন জামাতের সঙ্গেই নামাজ আদায় করেছেন। এমনকি ইন্তেকালপূর্ব অসুস্থতার সময়ও জামাত ছাড়েননি। সাহাবায়ে কেরামের পুরো জীবনও সেভাবে অতিবাহিত হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬২৪)

জাহান্নাম থেকে মুক্তি : আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত প্রথম তাকবিরের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তালা তাকে দুটি পুরস্কার দান করবেন। এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। দুই. মুনাফিকের তালিকা থেকে তার নাম কেটে দেবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১)।

জামাত পরিত্যাগকারীকে তিরস্কার : অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার প্রাণ যাঁর হাতে, তাঁর শপথ করে বলছি, আমার ইচ্ছা হয় আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দিই আর নামাজের আজান দেওয়ার জন্য হুকুম দিই। তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করি, যেন সে লোকদের নামাজের ইমামতি করে। আর আমি ওই সব লোকদের দিকে যাই, যারা নামাজের জামাতে হাজির হয়নি এবং তাদের বাড়িঘরসমূহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিই।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৮)

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজগুলো জামাতে পড়ার প্রতি বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জামাতে নামাজ আদায় করার তাগিদ দিয়ে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৩)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথা সময়ে নামাজের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইমামের সঙ্গে জামাআতে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত