ঢাকা, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯, ১০ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০১৯, ২৩:৩৩

প্রিন্ট

‘নেত্রীকে কী জবাব দিবেন?’

‘নেত্রীকে কী জবাব দিবেন?’
জার্নাল ডেস্ক

পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার ২৪ দিন অতিবাহিত হলেও ‘বিতর্কিতদের’ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। প্রথম দফায় ১৭ জনের নাম ঘোষণা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েও তা করা হয়নি। দ্বিতীয় দফায় ১৯টি পদ শূন্য করার কথা বলা হলেও তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ ১৯ জনের নাম বা পদ প্রকাশ হয়নি।

এ অবস্থায় পদবঞ্চিতরা ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে বঞ্চিতদের কমিটিতে পদায়ন না করলে রাজু ভাস্কর্যেই ঈদ করবেন তারা এবং গতকাল তারা ঈদ পালন করেছেনও। তাদের অভিযোগ, ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে গতকাল (বুধবার) বর্তমান কমিটির কেউ তাদের সাথে দেখা করেননি।

তবে তাদের ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে রাজু ভাস্কর্যে গিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ও ঢাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, অমর একুশে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম। সঙ্গে তাদের জন্য সকালের নাস্তা হিসেবে নিয়েছিলেন সেমাই, পিঠা ও খেজুর।

এ বিষয়ে পদবঞ্চিত ও সাবেক ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী ফেসবুকে তার নিজস্ব টাইমলাইনে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন। তার লিখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো...

‌‘আমাদের মধ্যমণি হিসেবে ছবিতে যে দুজন মানুষকে দেখা যাচ্ছে তাঁরা কোন রাজনীতিবিদ নন। নন কোন জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দুজনেই মানুষ গড়ার কারিগর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক।

সারাদেশে সবাই যেখানে ঈদের আনন্দ উদযাপনে ব্যতিব্যস্ত সেখানে এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই কিছু শিক্ষার্থী মলিন, বিবর্ণ ঈদে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় জীর্ণশীর্ণ-ভাবে রাজু’র পাদদেশে। ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে সন্তানতূল্য শিক্ষার্থীদের এ লড়াই, অধিকার আদায়ের এ সংগ্রামী কার্যক্রমে সম্মানিত শিক্ষকদ্বয়ের মনে দাগ কেটেছে। নৈতিক দায়িত্বশীলতা আর ভালবাসার তাড়নায় তাঁরা ছুটে এসেছিলেন আমাদের কাছে। ঈদের ব্যস্ততা কিংবা কোন অজুহাতে তাঁদের সুস্থ বিবেক বাক্সবন্দি থাকেনি।

আফসোস, যাদের সাথে দলের প্রয়োজনে জয় বাংলা স্লোগানে রোদে পুড়েছি, বৃষ্টিতে ভিজেছি অজস্রবার তারা একটিবারও খোঁজ নেয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।

আমরা বিশ্বাস করি, ছাত্রলীগ একটি পরিবার। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অভিমান থাকতেই পারে। পরিবারে কোন অন্যায় অসঙ্গতি চোখে পড়লে কেউ একজন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়াটা অন্যায়ের কিছু নয়। অভিভাবকদের উচিত, যৌক্তিক, ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে থাকা। কিন্তু আমাদের অভিভাবকগণের গা ছাড়া ভাব দেখে মনে প্রশ্ন জাগে আদৌ কি আপনারা নেত্রীর পবিত্র আমানতের তদারক করছেন?

জানি, জবাব পাব না। আমাদের না হয় জবাব দিলেন না। কিন্তু আমাদের আস্থার সর্বশেষ ঠিকানা প্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আর নিজের সুচিন্তিত বিবেকের কাছে কি জবাব দিবেন ‘জনাব’.....?’

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close