ঢাকা, রোববার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ৫ মিনিট আগে
শিরোনাম

ডোম অব দ্য রক

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:৪১  
আপডেট :
 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:০১

ডোম অব দ্য রক
সংগৃহীত ছবি
জার্নাল ডেস্ক

জেরুসালেমের আল আকসা চত্বরে অবস্থিত স্থাপনাটিকে আরবিতে বলে ‘কোব্বাতুস সাখরা’। যার অর্থ পাথরের গম্বুজ। ইংরেজীও তাই বলছে, Dome of the rock। যদিও এই স্থাপনাটির সোনালী গম্বুজ সারা দুনিয়ায় পরিচিত।

৬৯১ সালে উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালিক অষ্টকোণ বিশিষ্ট এই স্থাপনাটি নির্মাণ করেন। এটির মধ্যখানে রয়েছে একটি পাথর, যাকে কেন্দ্র করেই এই স্থাপনা নির্মিত। এজন্যই একে বলে কোব্বাতুস সাখরা/ ডোম অফ দ্য রক/পাথরের গম্বুজ। ইহুদিরা বিশ্বাস করে এই পাথর হলো ফাউন্ডেশন স্টোন যা মহাবিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু।

ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, মেরাজের রাতে এই পাথরের উপর থেকেই নবীকরিম (সা.) উর্ধ্বাকাশে গমন শুরু করেন।

১৯৯৩ সালে জর্ডানের বাদশাহ হুসাইন তার বাড়ি বিক্রি করে পাওয়া ৮.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে ৮০ কেজি সোনা কিনে তা দান করে দেন ডোম অফ দ্য রকের জন্য। সেই স্বর্ণের প্রলেপের কারণেই গম্বুজটি জ্বলজ্বল করে। ডোম অফ দ্য রকও মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

মুসলমানদের কাছে জেরুসালেম শহরটি ‘আল কুদস’ নামেও পরিচিত। আর এখানেই আছে আল আকসা, যা বায়তুল মোকাদ্দাস নামেও পরিচিত। ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনের জেরুসালেমে অবস্থিত এই আল আকসা মুসলমানদের প্রথম কিবলা। ইহুদিদের কাছে যা ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত। এ চত্বরেই রয়েছে ডোম অব দ্য রক ও মসজিদুল আকসা।

আল আকসা চত্বরে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদ এবং তার আশপাশের এলাকা বহু নবী-রাসুলের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। এখানে রয়েছে অসংখ্য নবী-রাসুলের মাজার। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন ‘আল কুদসের (জেরুসালেম) এমন কোনো জায়গা খালি নেই যেখানে একজন নবী সালাত আদায় করেননি বা কোনো ফেরেশতা দাঁড়াননি।’ (জামে তিরমিজি)

মসজিদুল আকসার মোট সাতটি নাম রয়েছে। একটি হচ্ছে মসজিদুল আকসা। ‘আকসা’ শব্দের অর্থ দূরবর্তী। মসজিদুল আকসার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে দূরবর্তী মসজিদ। মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর মিরাজের সূচনা হয়। সেই ঘটনা কেন্দ্র করে নাজিল করা পবিত্র কুরআনের সূরা ইসরায় ‘মসজিদুল আকসা’ শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়। সম্ভবত মক্কা থেকে এটি দূরে বলে আল্লাহ তায়ালা এ মসজিদকে ‘দূরবর্তী মসজিদ’ বা মসজিদুল আকসা বলে অভিহিত করেন। আগে এর নাম ছিল বায়তুল মুকাদ্দাস বা বায়তুল মাকদিস। এর অন্য নামগুলো হচ্ছে, আল কুদস, মসজিদে ইলিয়া, সালাম, উরুশলেম ও ইয়াবুস।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত