ঢাকা, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ১৮ মিনিট আগে

প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২১, ১৮:২২

প্রিন্ট

বাংলাদেশ ইমার্জিংকে জেতালেন শামীম

বাংলাদেশ ইমার্জিংকে জেতালেন শামীম

স্পোর্টস ডেস্ক

আয়ারল্যান্ডস উলভসের বিপক্ষে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটা মাঝপথে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। উলভস অলরাউন্ডার রুহান প্রিটোরিয়াসের করোনা আক্রান্তের খবর আসার পরে ম্যাচ বাতিল ভিন্ন উপায় ছিল না বিসিবির। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেই প্রিটোরিয়াস করোনা মুক্ত হয়ে খেললেন ৯০ রানের ইনিংস।

রোববার তার ব্যাটে ভর করে চট্টগ্রামে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয়টিতে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রান তোলে আয়ারল্যান্ড 'এ' দল। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতে ফেরা দুই তরুণ ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান জয় ও শামিম পাটোয়ারির ব্যাটে দুই বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। এতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেছে ১-০ ব্যবধানে। দলকে জিতিয়ে শামীম অপরাজিত ছিলেন ৩৯ বলে ৫৩ রানে। জয় করেন ৯৫ বলে ৬৬ রান।

টস হেরে ব্যাট করতে গিয়ে দারুণ শুরু পায় আয়ারল্যান্ড উলভস। দুই ওপেনার রোহান প্রিটোরিয়াস (১২৬ বলে ৯০) আর জেমস ম্যাককুলাম (৪১) এবং দুই মিডল অর্ডার স্টিফেন ডোহেনি (৩৭) ও অধিনায়ক হ্যারি টেক্টরের (৩১) ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৭ উইকেটে ২৬৩ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে আইরিশ উলভস।

বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসান (২/৩৯) আর পেসার সুমন খান (২/৫১) দুটি করে উইকেট পান। একটি করে উইকেট নেন শফিকুল ইসলাম আর মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।

২৬৪ রানের লক্ষ্যে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম নেমেছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। তবে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। সাইফ হাসানের সঙ্গে তাই তার উদ্বোধনী জুটি ৪৪ রানের বেশি হয়নি। ১৮ বলে ১৭ করা তানজিদকে ফেরান করোনা প্রিটোরিয়াস।

এরপর ৫৩ বলে ৩৬ করা অধিনায়ক সাইফকে ছাঁটেন শেন গ্যাটকেট। এরপর ম্যাচ জেতানো জুটি পায় ইমার্জিং দল। ইয়াসির আলি রাব্বিকে নিয়ে দলকে শক্ত অবস্থানের দিকে নিয়ে যান জয়। জুটিতে বেশি স্বচ্ছন্দ ছিলেন ইয়াসির। রানরেটের চাপটা হালকা হচ্ছিল তার ব্যাটেই। ৭৭ রানের জুটির পর থিতু হয়ে ইয়াসির ফেরেন ৩১ রান করে।

এরপর তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে আরেক ছোট জুটি পান জয়। তুলে নেন ফিফটি। বেন হোয়াইটের লেগ স্পিনে শেষ হয় তার ৯৫ বলে ৬৬ রানের ইনিংস। এরপর হৃদয় আর রান আউটে কাটা পড়ে আকবর আলি দ্রুত ফিরে গেলে ম্যাচ হারার শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশের। ওভারপ্রতি ১০ রান করে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ চলে এসেছিল শামীমের সামনে। শেষ পর্যন্ত তিনিই পার করেন কঠিন পথ।

শেষ তিন ওভারে দরকার ছিল ৩৪ রান। ক্রিজে স্বীকৃত ব্যাটসম্যান বলতে ছিলেন শামীমই। তবে টেল এন্ডার হিসেবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সুমন খান। নিয়মিত প্রান্ত বদল করে শামীমকে স্ট্রাইক দিয়ে গেছেন তিনি। প্রিটোরিয়াসের করা ৪৮তম ওভার থেকে শামীমের এক ছক্কা আর পাঁচ সিঙ্গেলে আসে ১১ রান। ম্যাচ জিততে শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন দাঁড়ায় ২৩ রানের।

জশ লিটলের ৪৯ তম ওভারে স্কুপ থেকে চার, লেগ স্টাম্পের বাইরে পাওয়া ফুলটস থেকে ছয়ে শামীম আনেন আরও ১৪ রান। ৩৭ বলে পৌঁছান ফিফটিতে। তখনই দুলতে থাকা ম্যাচ হেলে পড়ে বাংলাদেশের দিকে।

শেষ ৬ বলে চাই ৯ রান । স্ট্রাইকরে থাকা সুমন প্রথম বলেই এক্সট্রা কাভার দিয়ে উড়িয়ে মেরে দেন বাউন্ডারি। স্ট্রাইক পেয়ে আনুষ্ঠানিকতা সারা শামীমকে তাই আর তেমন কিছু করতেই হয়নি। দুই বল আগেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ।

বাংলাদেশ জার্নাল/টিআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত