ঢাকা, রোববার, ১৪ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০৩

  ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২২, ১৭:২৭  
আপডেট :
 ০৫ আগস্ট ২০২২, ১৭:৩৩

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০৩
ক্রীড়া ডেস্ক

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের চার ব্যাটারের অর্ধশতকে ভর করে জিম্বাবুয়ের সামনে ৩০৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২ উইকেটে ৩০৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

৩০৪ রানের লক্ষ্য টপকে জয় পেতে হলে রেকর্ড ভাঙতে হবে জিম্বাবুয়েকে। এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৬১ রানের বেশি টপকে জয়ের রেকর্ড নেই তাদের। এই ৩০৩ রান অবশ্য বাংলাদেশের দলেরও রেকর্ড। হারারেতে এর আগে টাইগারদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ছিল ৩০২ রান, যা ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করেছিল তামিমের দল।

এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তুলনামূলক ধীরগতির শুরু এনে দেন তামিম-লিটন। তবে ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে খোলস থেকে বের হন তারা। যেখানে প্রথম পাওয়ার-প্লের ১০ ওভারে তোলে সফরকারীরা তোলে ৫১ রান। দুই ব্যাটসম্যানের উদ্বোধনি জুটি থেকে আসে ১১৯ রান। ততক্ষণে অবশ্য তিনটি অর্জনে নিজের নাম তুলেছেন তামিম।

৭৯ বলে ওয়ানডেতে নিজের ৫৪তম ফিফটির স্বাদ পাওয়ার কিছুক্ষণ পর অফ স্পিনার সিকান্দার রাজাকে চার মেরে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মালিক বনে যান এই বাঁহাতি। তার আগেই দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে স্বীকৃত ক্রিকেটে ২৫০০০ রান পূর্ণ করেন।

তবে সেই রাজার বলেই খানিক পর ফিরে যান তামিম। ইনিংসের ২৬তম ওভারে ব্যাকফুটে গিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন শর্ট থার্ডম্যান অঞ্চলে। ৮৮ বলে ৯ চারে ৬২ রান করে ফেরেন তামিম। তার বিদায়ের পর ফিফটির দেখা পান আরেক ওপেনার লিটন। মাসাকাদজাকে অন সাইডে খেলে ৭৫ বলে এই স্বাদ পান লিটন। এটি তার ক্যারিয়ারের ১৫তম ও ওয়ানডেতে সপ্তম ফিফট।

ফিফটি পূর্ণ করে আগ্রাসী রূপে লিটন, ছুটতে থাকেন শতকের দিকে। তবে এদিন ভাগ্য যেন সঙ্গে দিল না তাকে। ৩৪তম ওভারের প্রথম বলে দ্রুত সিঙ্গেল নিতে গিয়ে পেশিতে টান পড়ে তার। এরপর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, স্ট্রেচারে করে তাকে নেয়া হয় ড্রেসিংরুমে। দুর্দান্ত খেলতে থাকা লিটন ৮৯ বলে ৮১ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হন। তার ইনিংসে চারের মার ছিল ৯টি ও ছয়ের মার ১টি। এদিন আর ব্যাটিংয়ে নামেননি তিনি।

লিটন অসুস্থ হয়ে সাজঘরে ফিরলে ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম। বিজয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নেন তিনি। দুইজনই পেয়েছেন অর্ধশতকের দেখা। আগে ফিফটি পূর্ণ করেন বিজয়। ফর্মহীনতায় ভুগে দল থেকে ছিটকে পড়েছিলেন তিনি। ঘরোয়াতে দারুণ পারফরম্যান্স করে আবার জায়গা পান। ওয়ানডেতে ৩ বছর পর ফিরেই হাঁকান ফিফটি। ৪৭ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটির দেখা পান বিজয়। এই ফিফটি পান ৭ বছর ৮ মাস পর।

সুযোগ ছিল সেঞ্চুরি করার। তবে একবার জীবন পেয়েও থামেন ৭৩ রানে। উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে ধরা পড়েন মুসাকান্দার হাতে। ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৬২ বলে ৭২ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই শ্রীলংকার বিপক্ষে ওয়ানডে খেলতে নেমেছিলেন এনামুল হক বিজয়। এরপর দীর্ঘ তিন বছরে ডাক পাননি জাতীয় দলের। তবে অবশেষে ফিরেছেন তিনি আর ফিরেই নিজের প্রথম ওয়ানডেতেই তুলে নিয়েছেন ফিফটি।

শেষদিকে ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। এরপর বাকি সময়টা দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মেলে কাটিয়ে দেন। শেষ দিকে রিয়াদ ১২ বলে ২০ আর মুশফিকুর রহিম ৪৯ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকলে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২ উইকেটে ৩০৩ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে একটি করে উইকেট নেন ভিক্টর নিয়ুচি এবং সিকান্দার রাজা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত