ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ আপডেট : ১ মিনিট আগে
শিরোনাম

মোবাইলের মত বিশ্বকাপ বলেও দেয়া হচ্ছে চার্জ

  ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮:৫৮  
আপডেট :
 ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯:০৩

মোবাইলের মত বিশ্বকাপ বলেও দেয়া হচ্ছে চার্জ
কাতার বিশ্বকাপের বল ‘আল রিহলা’। ছবি: ইন্টারনেট
ক্রীড়া ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবথেকে আধুনিক প্রযুক্তি বল ‘আল রিহলা’। কাতার বিশ্বকাপের বল যে অন্যরকম সেটা জানা ছিল আগেই। এই প্রথমবার রিয়েল টাইম ডেটা পাওয়া যাবে বল থেকে সেটা পরিষ্কার করে দিয়েছিল বল প্রস্তুতকারী সংস্থা। ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ওয়ার্ম-আপ করতে দেখা যায়। কিন্তু ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ফুটবলে চার্জ দেওয়া চলছে, এমন দৃশ্য কেউ আগে দেখেনি।

চলতি বিশ্বকাপে সেই বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল গোটা বিশ্ব। আর তা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। সম্প্রতি একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, খেলা শুরুর আগে সাইড লাইনে রাখা চারটি বলের একাংশ খুলে চার্জ দেওয়া হচ্ছে। ঠিক যেমনটা মোবাইল বা ল্যাপটপের হয়ে থাকে। বল প্রস্তুতকারি সংস্থা বিষয়টি খোলসা করেছে।

আসলে ‘আল রিহলা’ বলের মূল বিশেষত্ব হল টেকনোলজি। বলের ভেতরে রয়েছে ব্যাটারিযুক্ত সেন্সর। সেটির ওজন ১৪ গ্রাম। প্রযুক্তি চালু রাখতেই তার নিয়মিত চার্জ করা প্রয়োজন। ফুল চার্জড একটা বলে টানা ছয় ঘণ্টা খেলা যেতে পারে। আর ব্যবহৃত না হলে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সচল থাকে ব্যাটারি। বলের ভিতরের সেন্সরটি ক্যামেরা প্রক্রিয়াও সঞ্চালন করে। যার সুবাদে অফ-সাউড বা পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিখুঁতভাবে যাচাই করা যায়।

ক্যামেরাটি প্রতি সেকেণ্ডে ৫০০টি ছবি তুলতে সক্ষম। উরুগুয়ের বিরুদ্ধে পর্তুগালের রোনাল্ডো-ফার্নান্ডেজের যে গোল নিয়ে মতবিরোধ হয়েছিল, তার মীমাংসাও হয়েছে এই বলের প্রযুক্তির সাহায্যে। চুলচেরা বিশ্লেষণের পর রোনাল্ডোর নাম কেটে ব্রুনো ফার্নান্ডেজকে গোলের মালিক ঘোষণা করা হয়।

এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিযুক্ত বলের ছবি সামনে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মজার কমেন্ট করছেন। একজন লিখেছেন, আমাদের সময় বলে আমরা হাওয়া দিতাম, মনে হচ্ছে আমি অনেকটাই বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছি।

উল্লেখ্য, এই সেন্সরটি তৈরি করেছে জার্মানির সফ্টওয়্যার কোম্পানি কিনেক্সন। কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ম্যাক্সিমিলিয়ন স্কেমিচ এই বলটির কার্যকারিতা সম্মন্ধে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই বলগুলিকে ছোঁড়া হলে, বা পা দিয়ে মারা হলে সঙ্গে সঙ্গে এটি ১ সেকেন্ডে ৫০০ টি ছবি তুলে নেয়। এবং এই সমস্ত ডেটা লোকাল পজিশনিং সিস্টেমের সাহায্যে যে স্থানে খেলা হচ্ছে সেই স্থানের সময়েই পরিবর্তিত হয়। যখন কোনও বল বাতিল করে অন্য বল আনা হয়, তখন কিনেক্সনের ব্যাকএন্ড সিস্টেমের সাহায্যে সব ডেটা সেখানে রি-স্টোর হয়ে যায়।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত