ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ অাপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ১৬:৫৮

প্রিন্ট

মোবাইলের কারণেই কি শিশুরা দেরিতে কথা বলে?

মোবাইলের কারণেই কি শিশুরা দেরিতে কথা বলে?
জার্নাল ডেস্ক

বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে তারা ঘরে কথা বলবে, খেলবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক শিশুই তাদের বয়স পেরিয়ে গেলেও কথা বলে না বা কথা বলতে পারে না। মা বাবাও চিন্তা করেন বাচ্চা বুঝি অটিস্টিক এবং স্পিচ থেরাপিস্টের কাছে নিয়ে যান। কিন্তু সব সময়েই কি এমনটাই হয়?

চিকিৎসকরা বলেন, শিশুদের দিনের বেশির ভাগ সময়েই কেটে যায় মোবাইল ফোন আর ট্যাবে কার্টুন বা বিভিন্ন খেলা খেলে। তাদের সাথে কথা বলতে হবে এতেই তারা কথা বলা শিখবে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি জরিপে দেখা গেছে, স্পিচ থেরাপিস্টের কাছে এখন প্রায় দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের বেশি আনা হয়।

হয়তো শিশু কথা বলতে পারছে না কারণ, বাড়িতে কেউ তার সঙ্গে কথাই বলছে না। তার হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে মোবাইল কিংবা ট্যাব।

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, শিশু কারো সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না পাওয়ায় কথা শিখছে না। কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে না। সে নিজেকে প্রকাশও করতে পারছে না। প্রাথমিক উপসর্গ দেখে অনেকেই ভেবে নিচ্ছেন, অটিজম। পরে বোঝা যাচ্ছে, আসল সমস্যা অন্য।

শিশুদের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সাথে মজার কথা বলতে হবে, সে কোনো মজার আচরণ করলে হাসতে হবে। যা ট্যাব বা মোবাইল ধরিয়ে হবে না।

বাবা-মা নিজেরা ব্যস্ত বলে অন্যদের বাড়িতে শিশু বেরাতে যায় না। শিশুর পৃথিবী জুড়ে শুধুই কার্টুন। দিনভর তার সঙ্গে কেউ বিশেষ কথা না বলায় কুঁড়ে হয়ে যায় শিশুরা। কথা বলার পরিশ্রমটুকুও সে করতে চায় না।

বাবা-মায়ের যখন বুঝতে পারেন তখন শিশু আর কথা বলতে চায় না। কারণ, ততদিনে তার নিজস্ব ভার্চুয়াল পৃথিবী তৈরি হয়ে গিয়েছে।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত