ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ আপডেট : ১৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৪৮

প্রিন্ট

ইউএনও’র হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলো কিশোরী

ইউএনও’র হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলো কিশোরী
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর চিনিশপুরে ইউএনও’র হস্থক্ষেপে বাল্যবিবাহর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে জেসমিন আক্তার (১৪) এক কিশোরী। জেসমিন স্থানীয় একটি স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। সে চিনিশপুর ইউনিয়নের দগরিয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে।

সোমবার দুপুরে কিশোরীর বিয়ের কথা থাকলেও ইউএনও আইনি বিষয়টি তুলে ধরার পর বিয়ে বন্ধ করে দেয় কনের পরিবার।

পুলিশ জানিয়েছে, সদর উপজেলার নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পাশে দগরিয়া গ্রামে এক বাড়িতে জেসমিন আক্তার (১৪) নামে অপ্রাপ্ত বয়সি এক স্কুলছাত্রীর বিবাহ হচ্ছে বলে খবর পাওয়া যায়। খবরের ভিত্তিতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ আলম, জেলা মহিলা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সেলিনা বেগম ও সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দুজ্জামানের নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে যায়।

পরে ঘটনার সত্যতা পেয়ে স্কুলছাত্রীর পরিবারের সাথে কথা বলা হয়। এসময় কনের পরিবার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ইউএনও বর-কনের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে বিয়ে বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়। এবিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি বর কনের পরিবার।

সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে বাল্যবিবাহ সঠিক নয়। তাই কিশোরী মেয়েটি যেত লেখাপড়া করে বিকশিত হতে পারে, সেজন্যই বাল্যবিবাহ বন্ধ করে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়।

ইউএনও তাসলিমা আক্তার বলেন, দগরিয়া এলাকায় বাল্যবিয়ের একটি খবর শুনে সেখানে যাই। পরে পরিবারের সদস্যদের বাল্যবিয়ের বিষয়ে আইনগত দিক তুলে ধরা হয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামানকে সাথে নিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, স্কুলশিক্ষার্থী জেসমিন আক্তারের পরিবার অঙ্গিকার করে যে, প্রাপ্তবয়স না হওয়া পর্যন্ত জেসমিন আক্তারকে লেখাপড়া শেখাবেন এবং প্রাপ্ত বয়স হলেই বিয়ে দিবেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত