‘টাইলসের নিচেই গ্যাসের লিকেজ, সেজদা দিলে ঘ্রাণ পেতাম’
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:৪৩

নারায়ণগঞ্জে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. ইব্রাহীম (৫০)। এশার নামাজ পড়তে তিনিও শুক্রবার রাতে মসজিদে যান। তার বড় ছেলে ফয়সালও মসজিদে ছিলেন। ছেলে নামাজ শেষ করে মসজিদ থেকে বের হয়ে একশ গজ দূরে যান। এর মধ্যে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। হঠাৎ তার বাবার কথা মনে পড়ে। দৌড়ে মসজিদের সামনে যান।
ফয়সাল বলেন, ‘মসজিদের সামনে গিয়ে দেখলাম থাইগ্লাস ভেঙে আগুনের গোলা বের হচ্ছে। আগুনের গোলার সঙ্গে মানুষও বের হয়ে আসছে। দু’বার আগুনের গোলা বের হয়েছে। এরপর দেখি বাবাও রাস্তায় পড়ে আছে।, দাড়ি, চুল, কাপড় সব পুড়ে গেছে, কিছু নেই। দ্রুত তাকে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ঢাকায় নিয়ে আসি।’
তিনি বলেন, ‘মসজিদের প্রধান ফটকের টাইলসের নিচেই গ্যাসের লিকেজ ছিল। আমরা সেজদা দিলেও ঘ্রাণ পেতাম। কয়েকবার অভিযোগ করা হয়েছে, তবে তিতাস কর্তৃপক্ষ পাত্তা দেয়নি।’
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জের তল্লায় মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩৭ জন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ









