ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ১৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:৫৬

প্রিন্ট

চাচা-ভাতিজার ঝগড়ায় প্রাণ গেলো গৃহবধূর

চাচা-ভাতিজার ঝগড়ায় প্রাণ গেলো গৃহবধূর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দু'পক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো নারগিস আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের সাতগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারগিস আক্তার ওই গ্রামের ইজিবাইক চালক স্বপন মিয়ার স্ত্রী ও পার্শ্ববর্তী শিকারপুর গ্রামের ছিবিল মিয়ার মেয়ে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের রাজু মিয়ার (২৮) পরিবারের সাথে মোবাইল সিংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার চাচা নুরু মিয়ার ঝগড়া হয়। পাশের বাড়ির বাসিন্দা হওয়ায় দুই সন্তানের জননী নারগিস আক্তার যান তাদের ঝগড়া থামাতে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাজু মিয়ার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে নারগিসের মাথার পিছনের দিকে সজোরে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন নারগিস।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তন্তর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে পথে মারা যান নারগিস। এরপর লাশ নিয়ে বাড়িতে এলে রাজু মিয়া নিহতের বাড়িতে এসে নারগিসের স্বামী স্বপন মিয়াকেও মারধর করে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা গিয়ে থানায় খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে নিহত নারগিস আক্তারের মা সায়েরা বেগম বাদী হয়ে চিহ্নিত ৩ জনসহ অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে কসবা থানায় মামলা করেন।

কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঝগড়া থামাতে যাওয়ায় নারগিস আক্তার নামে এক গৃহবধূকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের পক্ষে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত