ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ৩৯ মিনিট আগে

আমনের চারা সঙ্কটে দুশ্চিন্তায় কৃষক

  আসাদুজ্জামান সাজু, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০৫

আমনের চারা সঙ্কটে দুশ্চিন্তায় কৃষক
ছবি: প্রতিনিধি
আসাদুজ্জামান সাজু, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের বন্যা কবলিত এলাকা থেকে পানি নেমে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেতে আবার আমনের চারা রোপণের চেষ্টা করছেন কৃষকরা। কিন্তু কোথাও চারা সঙ্কট এবং কোথাও চারার দাম বেশি হওয়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন।

তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীর চরাঞ্চল ও তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে সাত হাজার হেক্টর জমির আমন ক্ষেত বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল।

হাতীবান্ধা উপজেলার চর ধুবনী গ্রামের বন্যাদুর্গত কৃষক জহরুল ইসলাম বলেন, চার বিঘা জমির আমন ক্ষেত ১৫ দিন পর্যন্ত পানিতে নিমজ্জিত ছিল। প্রায় ৮০ শতাংশ আমনের চারা সম্পূর্ণ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে আমনের চারা সংগ্রহের চেষ্টা করছি। কিন্তু এখনো কোথাও তা পাইনি।

করে তিনি আরও বলেন, যদি আমনের চারা পাই, তাহলে আবার ধান লাগাতে পারবো। চারা না পেলে এ বছর জমি পতিত রাখতে হবে।

সদর উপজেলার চরপার্বতী গ্রামের বন্যাদুর্গত উজির আলী বলেন, এক জায়গায় দুই বিঘা জমির আমন ক্ষেত ১৪ দিন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। আরেক জায়গায় তিন বিঘার আমন ক্ষেত ৮ দিন পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেখানে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ চারার ক্ষতি হয়েছে। এখন আমরা আমনের চারা সঙ্কটে আছি।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ধাইরখাতা গ্রামের কৃষক আফছার আলী বলেন, 'তিন বিঘা জমির আমন খেতের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। চারা সংকট থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে আবার আমন চারা রোপণ করতে পারবো কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।' তিনি আরও বলেন, 'কয়েকজন কৃষকের কাছে বাড়তি আমন চারা আছে। কিন্তু, তারা দাম বেশি চাচ্ছেন।'

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামিম আশরাফ বলেন, 'লালমনিরহাটে বন্যার পানি চার দিনের বেশি স্থায়ী না হওয়ায় ফসলের তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে কিছু কিছু নিচু এলাকায় আমনের ক্ষেত ১২ থেকে ১৩ দিন নিমজ্জিত থাকায় সেগুলোর সামান্য ক্ষতি হয়েছে।' ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ক্ষতি পরিমাণ নিরূপণ করতে কৃষি বিভাগের লোকজন মাঠে কাজ করছেন বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত