ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:২৭

প্রিন্ট

যৌনকর্মীদের কষ্টগাঁথা জীবনের না জানা গল্প

যৌনকর্মীদের কষ্টগাঁথা জীবনের না জানা গল্প
শওকত জামান

বেদনাবিধুর জীবন বয়ে বেড়াচ্ছেন যৌনকর্মী আদুরী (ছদ্ম নাম)। বয়স ৩৮। বাড়ি পুরান ঢাকায়। এখন জামালপুরের রানীগঞ্জ যৌনপল্লীর বাসিন্দা। সুখের সংসার ছিল আদুরীদের। আদুরীরা চার ভাই বোন। হেসে খেলে জীবন কাটছিল তাদের। ভাই বোনদের মধ্যে বাবা মায়ের আদরের সন্তান ছিল আদুরী। সংসারের একমাত্র কর্মক্ষম বাবা হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করে শয্যাশায়ী হন। বাবার পা হারানোর সাথে হারিয়ে যায় পরিবারের সুখ। অভাবের মুখে তাসের ঘরের মত ভেঙে যায় আধুরীদের পরিবার। একেক ভাই বোন একেক দিকে চলে যায়। ক্ষুধার যন্ত্রণা মেটাতে ঢাকায় ভাসমান যৌনকর্মী হিসেবে জীবন শুরু করেন। সেই জীবন ভাসতে ভাসতে আদুরীর ঠিকানা হয় রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে।

কেমন কাটছে আদুরীর জীবন। আদুরীর সাথে কথা হয় রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে অবস্থিত সূর্যের হাসি সমাজ কল্যাণ সংগঠনের অফিসে। আদুরী কষ্টগাঁথা জীবন কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কান্না জড়িত কন্ঠে আক্ষেপ করে বলেন, ‌জীবনই নেই সেখানে গল্প কিসের। প্রাণহীন লাশের মতো পড়ে আছি রাণীগঞ্জের কুঠরিতে। এখানে এসে বাবা, মা, সন্তান হারিয়েছি। ভাসমান অবস্থায় ভালো ছিলাম, সারাদিন বা রাতে কাজ শেষে অন্তত পরিবারের লোকজনদের মুখ দেখতে পেতাম। পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাদের কাছে এসেছি তারাও আমারে লাথি মারে। এক বেলা খেলেও আগের জীবনে সুখ ছিল, শান্তি ছিল। এখানে সুখ নেই, শান্তি নেই প্রাণবন্ত জীবন নেই। এখানে কেটে যাওয়া ৯ বছরের জীবনে যা হারিয়েছি তা কোনদিন ফিরে পাবো না। যা আয় করি হাতে কিছুই থাকে না। জীবনেতো শান্তি পেলামই না। মরেও শান্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। মৃত্যুর পর আমাদের লাশ নিয়েও জুট ঝামেলা পোহাতে হয়। মুসলিম মৃত ব্যক্তি জানাজা ও দাফন এবং সনাতন ধর্মের বেলায় কপালে জুটে শ^শানে দাহ। আমাদের বেলায় কেন এই অবহেলা অবজ্ঞা। লাশ নিয়ে চলে টানাহেঁচড়া। ইমাম সাহেবও জানাজা পড়ায়না। লাশ দাফনের অনুমতির অপেক্ষায় ঘুরতে হয় দ্বারে দ্বারে। অবশেষে বেওয়ারিশ লাশ দাফনের কবরস্থান ফৌতি গোরস্থানে মাটিচাপা দেয় আমাদের। ১৭ বছর বয়সী আরেক যৌনকর্মী স্বপ্না (ছদ্ম নাম)। বাবা মারা গেছে। পরিবারের উপর্জনক্ষম কেউ নেই। স্বপ্না বলেন, ছোট তিন ভাই বোন রয়েছে। সংসারের যোগান দিতে কাজ খুঁজতে থাকি। দেখা হয় এক মহিলার সাথে। সে গার্মেন্টন্সের চাকুিরর কথা বললে তার সাথে রওনা দেই। পথে এক মধ্যবয়সী লোকের সাথে দিয়ে বলে ঢাকায় গার্মেন্টসে পৌঁছে দিবে। সে আমাকে এনে এখানে তুলে। অত লোক সমাগম দেখে বলি গার্মেন্টস কই। সর্দারনি বলে এটাই গার্মেন্টস। এখানে তোর কাজ করতে হবে। দালাল তোরে বিক্রি করে গেছে। ঘরে লোক নিবি, টাকা কামাবি আর আমারে দিবি। শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লাম। আমার কান্নাকাটি দেখে এখান থেকে দূরে এক বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে জোর জবরদস্তি করে আমাকে নষ্ট করে। সপ্তাহ খানেক পর পতিতালয়ে এনে তুলে। রাতের বেলায় জামা কাপড় খুলে নিয়ে উলঙ্গ করে ঘর তালা মেরে রাখে। ভোর হলে তালা খুলে দিয়ে সাজসজ্জা করিয়ে খদ্দেরের অপেক্ষায় বসিয়ে রাখে। এভাবেই দিন যায় রাত আসে। অন্ধকার জীবন আর মুক্তি হয়তো মিলবে না। মা ভাই বোন কেমন আছে, কি খাচ্ছে না খাচ্ছে বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্বপ্নার স্বপ্ন ছিল আয় করে মা ভাই বোনের মুখে খাবার তুলে দিবে, করাবে লেখাপড়া সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল।

এভাবে আদুরী-স্বপ্নার মতো রানীগঞ্জের যৌনকর্মীদের কষ্টমাখা জীবনের গল্প একই। কেমন আছেন জামালপুর শহরের রানীগঞ্জ যৌনপল্লীর যৌন কর্মীরা। খোঁজ নিতে যাই রানীগঞ্জ যৌনপল্লীর অভ্যন্তরে। সস্তা বাহারী মেকআপ মেখে খদ্দেরের প্রতীক্ষায় যৌনকর্মীরা বসে আছেন স্থানে স্থানে। বেশকিছু যৌনকর্মী কাছে চাপলেও কথা বলে না। চারপাশে রক্তচক্ষু ঘুরাফেরা করছে। মুখ খুলতে নিষেধ। সর্দারনিরা তেড়ে আসছে, মুখ ভেংচিয়ে যৌন কর্মীদের বলছে, সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবি না। থলের বিড়াল বেরিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করছে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে আতঙ্কিত যৌনকর্মীদের মুখ।

জামালপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে বিট্রিশ আমলে প্রায় দেড়শত বছর আগে রানীগঞ্জ নামে যৌনপল্লী গড়ে উঠে। এখানে প্রায় ৫’শ যৌন কর্মী বসবাস করে। অগোচরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন যৌনকর্মী বলেন, এই যৌনপল্লী ঘিরে সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের সদস্যরা নানাভাবে যৌনকর্মীদের শোষণ করে আসছে। এ চক্রের তালিকায় পতিতালয়ের কতিপয় বাড়ির মালিক, সর্দারনি, ভাওরা, মাস্তান ও দায়িত্বরত পুলিশও রয়েছে। এ চক্রের ফাঁদে পড়ে যৌনকর্মীদের আয়ের টাকা হাতে থাকছে না। উল্টো দাদনের সুদঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা। ঋণের খপ্পরে কেউ পথে বসেছে কেউবা পল্লী ছেড়ে রাতের আধাঁরে পালিয়েছে। পুলিশি আতঙ্কে খদ্দের কমে যাওয়ায় যৌনকর্মীদের আয় রোজগার নেমে ঘরে ঘরে হানা দিয়েছে অভাব। অর্থকষ্ট চারপাশ আঁকড়ে ধরেছে রানীগঞ্জের যৌনকর্মীদের ঘিরে। আলোর পথ কবে মিলবে বলতে পারে না কেউ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এই পল্লীতে ঘাঁপটি মেরে রয়েছে নারী পাচার চক্র। তাদের নেটওর্য়াকে দেশের বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে দালাল। এই দালালরা নারী সংগ্রহ করে এখানে বিক্রি করছে। কিনে নেয়া নারীদের নিয়ে সমস্যা হলে অন্য যৌনপল্লীতে স্থানান্তর করে এখানকাররা। এভাবেই হাত বদল হয় ভাগ্য বিড়ম্বিত নারীদের। পরিশেষে ঠাঁই হয় অন্ধকার গলিতে। নতুন মেয়েরা বশে না আসলে রানীগঞ্জ যৌনপল্লীর বাইরে অন্যত্র ট্রেনিং সেন্টারে (বিশেষ বাড়ি) নিয়ে যায়। সেখানে অত্যাচার নির্যাতনের মুখে অবস্থাশালী খদ্দের হাতে তুলে দেয় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে। প্রভাবশালীদের কাছে ছাড়ে উপঢৌকন হিসেবে। নিজেকে সপে দিতে রাজি নাহলে দিনরাত চলে নির্যাতন। অত্যচার নির্যাতনের একপর্যায়ে দুর্বল ও নিরুপায় হয়ে বাধ্য হয় দেহদানে। সেখানে কিছুদিন রাখার পর নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে নতুন নাম পরিচয়ে এফিডেফিট করিয়ে প্রবেশ করায় যৌনপল্লীতে। নতুনদের বেছে বেছে খদ্দের দেয় সর্দারনিরা। রেটও নেয় অনেক বেশি। ঘরে খদ্দের গেলে বেশিক্ষণ অবস্থান করতে দেয় না। থাকে বিশেষ নজরদারি, খদ্দেরের মাধ্যমে বাইরে খবর যেন না যায় এই সর্তক সবসময়। দিনের বেলায় নজরদারি আর রাতের বেলায় নতুন মেয়েদের উলঙ্গ করে ঘর তালা মেরে রাখে। শুধুকি খদ্দের, আশপাশের পুরনো যৌনকর্মীদের সাথে কথা বলতে দেয় না ওদের। এত নজরদারির মধ্যেও অনেক খদ্দেরের কাছে বন্দি জীবনের কাহিনী খুলে বলে হাতে পায়ে ধরে মুক্ত করার আকুতি জানায় অসহায় যৌনকর্মীরা। খদ্দেরের খবর বাইরে ফাঁস হয়ে পতিতালয় থেকে বন্দি নারী উদ্ধারের ঘটনাও রয়েছে অনেক। তবে যৌনপল্লীতে নতুন মেয়ে নামানো প্রশাসনের নিষেধ রয়েছে। প্রশাসনের নজরের ফাঁক গলিয়ে নতুন মেয়ে নামানো হচ্ছে নানাদিক ম্যানেজ করে। নতুন মেয়ে নামানো ঘিরে স্তর বেঁধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। যৌনপল্লীর উৎস থেকে আদায়কৃত অর্থের অংশ যায় অনেকের পকেটে।

আরো জানা যায়, অল্প বয়সী মেয়েদের মোটাতাজা করার ওষুধ খাইয়ে যৌন কর্মে নামাচ্ছে। কয়েক বছর না যেতেই কিডনিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভুগছে ওষুধে পুষ্ঠ হওয়া যৌনকর্মীরা। যেভাবে শোষণ হয় সেই প্রসঙ্গে জানা গেল, যৌনপল্লীর সিংহভাগ যৌনকর্মীই ঋণগ্রস্থ। প্রথমে শোষণ হয় ভাওরাদের কাছে। যৌনকর্মীরা নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় লোকজনদের ভাওরা (বিশেষ স্বামী) রাখে। রক্ষক রুপ নেয় ভক্ষকের। তারা কিছুদিন না যেতেই টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য নানা ফন্দি এটে শুরু করে অত্যাচার নির্যাতন। পান থেকে চুন খসলেই প্রহসনের বিচার শালিস নামে যৌনকর্মীদের করা হয় জরিমানা। এই জরিমানা পরিশোধে দৈনিক চড়া সুদে টাকা নিতে হয় দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে। এ পল্লীতে জালেরমত বিস্তার করে আছে দাদন ব্যবসায়ী চক্র। এরা চড়া সুদে দাদনের টাকা লগ্নি করে যৌনকর্মীদের কাছে। টাকা আদায়ে হুমকি ধামকি শেষে চলে নির্যাতন। চক্রটির শোষণের শিকার হয়ে অনেক যৌনকর্মী রাতের আধারে যৌনপল্লী ছেড়েছে। রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে আতঙ্কের নাম কবিতা। কবিতার নাম শুনলেই যৌনকর্মীদের অন্তর আত্মা কেঁপে উঠে। পতিতালয়ে কর্তব্যরত পুলিশ ও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে মুর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে কবিতা। তার অত্যচার নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে রানীগঞ্জের যৌনকর্মীরা। গত জেলা আইনশৃখলার মিটিংয়ে রানীগঞ্জ পতিতালয়ে কবিতার কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ উঠলেও অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় বহাল তবিয়তে রানীগঞ্জ পতিতালয়ে কবিতার সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড চলছে।

মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, প্রতিনিয়ত রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে। শুধুকি মানবাধিকার লংঘন, রানীগঞ্জ মাদক ও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। শোষনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে যৌনকর্মীরা নির্বিকার। সন্ত্রাস ও শোষনের কবল থেকে যৌনকর্মীদের দ্রুত রক্ষা না করলে রানীগঞ্জে মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে।

রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে প্রকাশ্যে মদ গাঁজা বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার বা মাদক বিক্রি বন্ধ না করে পতিতালয়ের চারপাশে ৪টি পয়েন্টে ফাঁদ পেতে কতিপয় পুলিশ মাদক আসক্তদের আটক করে। আটককৃতদের সিংহভাগই থানায় না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে রাস্তা থেকেই ছেড়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ফাঁদে উঠতি বয়সী ছেলেদের পকেটে মাদক ঢুকিয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও করেছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন। নিত্যদিন পুলিশি ফাঁদে হয়রানির শিকার হয়ে যৌনপল্লীতে খদ্দের আসা কমে গেছে। ফলে খদ্দের সংকটে যৌনকর্মীদের ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে অভাব। অভাবের কথা কাউকে বলতেও পারেনা ওরা। মানবেতর জীবনের মুখে পড়েছে ছন্দহীন জীবন বয়ে যাওয়া রানীগঞ্জের যৌনকর্মীরা।

এখানে চল্লিশউর্ধ্ব প্রায় অর্ধ শতাধিক যৌনকর্মী কর্মহীন হয়ে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। এক সময়ে জৌলুস জীবন ছিল তবে এখন বয়ে বেড়াচ্ছেন কষ্ট মাথায় নিয়ে। নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। যৌনকর্মক্ষমতা হারিয়ে অন্যের ঘরে ঝিঁ এর কাজ করছেন। পান থেকে চুন খসলেই কপালে জুটে নির্যাতন। এদের বয়স্ক ভাতাসহ সরকারি-বেসরকারি কোনো আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা কপালে জুটে না। দু’চারজন যৌনকর্মীদের ঘরে ঝিঁ এর কাজ করলেও সিংহভাগেরই পেট চলে চেয়েচিন্তে। সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তারা ।

দায়িত্বরত পুলিশ রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা নিয়ে রানীগঞ্জ পতিতালয়ে কর্তব্যরত টিএসআই আবুল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আসলে জায়গাটা খারাপ, কাউকে ভালো কিছু করতে গেলে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালেমুজ্জামান বলেন, রানীগঞ্জ যৌনপল্লীতে যৌনকর্মীদের উপর অত্যচার নির্যাতন ও শোষণের ঘটনা ঘটে থাকলে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা ও যৌন পল্লীতে মাদক ব্যবসা বন্ধের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close