ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৪২

প্রিন্ট

গ্রেনেড হামলার আসামিদের রায় কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন

গ্রেনেড হামলার আসামিদের রায় কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ১৯ জন আসামীকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার দাবিতে সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি নাট্য অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠশিল্পী রফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অরুন সরকার রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অভিনেত্রী তারিন জাহান, জোটনেতা কন্ঠশিল্পী এস.ডি রুবেল, কৃষক লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, মোত্তাছিম বিল্লাহ, অভিনেত্রী পারুল আক্তার লোপা, অধ্যক্ষ আহসান সিদ্দিকী, কবি রবীন্দ্র গোপ, নাট্য অভিনেতা হাবিবুল্লাহ রিপন, দিলীপ সরকার, সুজন মৃধা, কন্ঠশিল্পী বৃষ্টি রাণী সরকার, আফসার উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা নুর উদ্দিন মন্টু প্রমুখ।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠশিল্পী রফিকুল আলম বলেন- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল। যারা ভেবেছিল দেশকে দমিয়ে রাখা যাবে। তাদের সে ধারণা আজ ভুল প্রমাণিত হযেছে। বরং সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০০৪ সালের ইতিহাস আমরা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছি। ২১ আগস্ট মানে আমাদের লজ্জার দিন, কষ্টের দিন, শোকের দিন। সেদিনের ব্যথা শরীরে এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকে। দেশবাসী এই পলাতক খুনীদের রায় কার্যকর দেখতে চায়। তারা দীর্ঘ অপেক্ষায় আছে।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অভিনেত্রী তারিন জাহান বলেন, পিতা-পুত্র দু’জনই খুনী। জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত ছিল আর তার পুত্র তারেক জিয়া জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল ২১ আগস্ট। রাখে আল্লাহ মারে কে। স্বয়ং আল্লাহ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য, মানুষের উন্নয়নের জন্য। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে চিহ্নিত করতো। জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশ উন্নত দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর বুকে রোল মডেল। খুনীরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস হবে বাংলাদেশ পাকিস্তানের অঙ্গরাজ্য হবে। তাদের সকল ষড়যন্ত্র বিফল হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য। শেখ হাসিনার আলোতেই আমরা বাংলাদেশই শুধু নয় সারা পৃথিবীতেই আলোকিত জাতি। জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর পর আমাদের একমাত্র নেত্রী শেখ হাসিনা অন্য কেউ নয়। কিন্তু ২১ আগস্ট আইভি রহমানসহ এতগুলো প্রাণ কেড়ে নেয়া হয়েছে এই খুনীরা রেহাই পেতে পারে না। তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

রোকেয়া প্রাচী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে যারা জড়িত ছিল তারা গণতন্ত্রের শত্রু, আইনের শাসনের শত্রু, বাঙালি জাতির শত্রু। এই শত্রুরা বিদেশে যেখানেই থাকুক না কেন এই দেশদ্রোহীদের খুঁজে বের করে এনে রায়কে কার্যকর করতে হবে। ২১ আগস্ট যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছিল তারা একটি গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। তারা মনে করেছিল জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যদি হত্যা করা যায় তাহলে বাংলার মাটি থেকে চিরতরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলা যাবে। এই খুনীদের রায় কার্যকর হলেই যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মা শান্তি পাবে। আজো জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লন্ডনে বসে তারেক জিয়া একের পর এক গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, চর্তুদিকে নজর রাখতে হবে। যাতে এই ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের ষড়যন্ত্র সফল করতে না পারে।

টিও

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত