ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:১৫

প্রিন্ট

এবার ফাঁসছেন কাস্টমসের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা

এবার ফাঁসছেন কাস্টমসের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা
ফাইল ছবি
জার্নাল ডেস্ক

এবার ক্যাসিনোর সরঞ্জাম বিমান বন্দরে পার করে দেওয়া নিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন কাস্টমসের শীর্ষ এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা। যদিও তার নাম পরিচয় কিছু জানা যায়নি।

তথ্য মতে, জুয়ার বোর্ডসহ ক্যাসিনোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গত কয়েক বছরে দেশে প্রবেশ করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর দিয়ে। ক্যাসিনোর সরঞ্জাম যাতে নির্বিঘ্নে বের হতে পারে তা তদারকি করতেন কাস্টমসের গোয়েন্দা শাখার এক শীর্ষ কর্মকর্তা। তার নির্দেশেই বিমান বন্দরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা ক্যাসিনোর সরঞ্জাম বিমানবন্দর পার করে দিয়েছে।

বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

এদিকে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জিকে শামীমকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

খালেদ ও শামীম জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছেন প্রভাবশালী নেতারা। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়েই তারা নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারিত করেছেন।

মামলা সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ওরা যাদের নাম বলেছেন, তাদের নাম দেখে তারা নিজেরাই বিস্মিত হয়েছেন। সবার কাছে এসব নেতাদের একটা ক্লিন ইমেজ আছে। অথচ এরাই খালেদ ও শামীমকে পরেক্ষাভাবে সহায়তা করেছেন। বিনিময়ে পেয়েছেন মোটা অংকের টাকা।

ঐ কর্মকর্তা বলেন, রাজধানীতে ক্যাসিনো এবং চাঁদাবাজি যারা নিয়ন্ত্রণ করত, তাদের অনেক নামই গ্রেপ্তারকৃতরা প্রকাশ করেছেন। পর্যায়ক্রমে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আসামিরা অন্য ৫টি মামলার মত আসামি না। ফলে এদের দেওয়া তথ্যগুলো যেমন পর্যাপ্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে, তেমনি যাদের নাম বলেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে গেলে আরো কিছু কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে হবে।

এদিকে গুলশান থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের করা ২ মামলায় গত বুধবার পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ডে নেয় খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। অপরদিকে গত শনিবার জি কে শামীমকে অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত